Showing posts with label Feature. Show all posts
এ সমাধি ত্রেটি দেখতে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের
হাজারো দর্শনার্থী ভিড় জমায়
-: তাপস চন্দ্র সরকার :-কুমিল্লা শহর থেকে ৫কিলোমিটার পশ্চিমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা-সিলেট রোড সংলগ্ন ক্যান্টেনম্যান্ট (সেনানিবাস) এলাকাস্থিত কমনওয়েলথ সমাধিত্রে @ ময়নামতি ওয়ার সিমেট্টি। ক্যান্টম্যান্ট টিপরা বাজার ও ময়নামতি সাহেবের বাজারের মাঝামাঝি কুমিল্লা-সিলেট সড়কের বাম পাশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য নিয়ে সাড়ে ৪ একর পাহাড়ী ভূমি জুড়ে বাংলাদেশে অবস্থিত দ্বিতীয় এ কমনওয়েলথ সমাধি ত্রে। এ দেশের অপর কমনওয়েলথ সমাধি রয়েছে চট্টগ্রাম শহরের বাদশা মিয়া চৌধুরী রোডে। যাতে ৭শ’ ৫৫ জন সৈনিকের সমাধি আছে।
কমনওয়েলথ সমাধিত্রে কিংবা ময়নামতি ওয়ার সিমেট্টিতে চির নিদ্রায় শায়িত রয়েছেন দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে নিহত ৭শ’৩৭ জন সৈনিক। এর মধ্যে একজন বে-সামরিক ব্যক্তি এবং চব্বিশজন জাপানী যুদ্ধ বন্ধী রয়েছে। স্থানীয়রা এটাকে ইংরেজ কবরস্থান বলে থাকে কিন্তু আসলে এখানে সারিবদ্ধভাবে শায়িত রয়েছেন মুসলিম-খ্রীস্টান-হিন্দু-ইহুদী-বৌদ্ধ। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে নিহত এবং যুদ্ধে আহত হয়ে পরে মারা যাওয়া সাধারণ সৈনিক থেকে ব্রিগেডিয়ার পদ মর্যাদাধারীকে এখানে সমাহিত করা হয়েছে।
কুমিল্লা কমনওয়েলথ সমাধির পাহাড়ের প্রথম ধাপে রয়েছে ইউরোপিয়ানদের কবর। উপরের সারিতে রয়েছে এ উপ-মহাদেশের যোদ্ধাদের কবর। সমাধি-গুলো সারিবদ্ধভাবে সাজানো রয়েছে। প্রত্যেকটি সমাধিতে লেখা আছে নিহত সৈনিকের নাম, বয়স, পদবী, নিহত হবার তারিখ ও ঠিকানা।
সমাধি ত্রে তৈরীর আগে সেখানে ছিল বৌদ্ধ বিহারের কেন্দ্রীয় মন্দির। সেখানে নির্মান করা হয়েছে শ্বেত পাথরের একটি ক্রশ। বর্গাকার এ সমাধি েেত্রর প্রত্যেকটির বাহুর দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াইশ ফুট। যাহার আয়তন সাড়ে ৪ একর। সমাধি েেত্রটি’র চারদিক বাউন্ডারী দিয়ে ঘেরা। পুরো সমাধি েেত্র হরেক রকম ও রং-বেরংয়ে ফুল গাছ এবং অন্যান্য গাছ দিয়ে পরিকল্পিত এবং সুবিন্যস্তভাবে সাজানো হয়েছে।
গাছ-গাছালির অপূর্ব নৈর্মগিক সৌন্দর্য্য ঘিরে রেখেছে এ সমাধি ত্রেটি। ফুলের সৌরভ, গাছের পাতায় বাতাস আর রোদের খেলা, পাখী ডাকে বিমোহিত পরিবেশের এ সমাধি ত্রেটি। সেখানে গেলে মনে অন্যরকম এক অনুভূতির জন্ম দেয়। তখন মনে হয় মানব জাতির জন্য যুদ্ধ কি খুব প্রয়োজনীয় ?
এ সমাধি েেত্র মোট সমাধি সংখ্যা ৭শ’ ৩৮টি। এখান থেকে ১৯৬২ সালে ১টি সমাধি নিহত সৈনিকের আত্মীয়-স্বজনরা যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। বর্তমানে এ সমাধি ত্রে সমাধি রয়েছে ৭শ’ ৩৭টি। এর মধ্যে ১৪জন শায়িত সৈনিকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এখানে যাদের সমাহিত করা হয়েছে তাদের লাশ আনা হয়েছে ঢাকা, ফরিদপুর, সৈয়দপুর ও সিরাজগঞ্জ থেকে। আর্মি গ্যারিসন ইঞ্জিনিয়ারগণ এ সমাধি ত্রেটি তৈরী করেন।
এ সমাধি েেত্র রয়েছে বৃটেনের ৩শ’৫০জন, কানাডার ১২জন, অস্ট্রেলিয়ার ১২জন, নিউজিল্যান্ডের ৪জন, দণি আফ্রিকার ১জন, ভারতের ১শ’ ৭২জন, পূর্ব আাফ্রিকার ৫৬জন, পশ্চিম আফ্রিকার ৮৬জন, বার্মার ১জন, দণি রোডেশিয়ার ৩জন, বেলজিয়ামের ১জন, পোলান্ডের ১জন এবং জাপানের ২৪জন যুদ্ধ বন্দীর কবর। এ ছাড়াও ১জন বে-সামরিক ব্যক্তিকেও এখানে সমাহিত করা হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে মৃত সৈন্যের লাশ এখানে এনে এ সমাধি েেত্র সমাহিত করা হয়। কুমিল্লার ময়নামতি সমাধি ত্রে এবং চট্টগ্রামের সমাধি ত্রে এ দু’টির সার্বিক তদারকি করছে কমনওয়েলথ গ্রেভস কমিশন। এর প্রধান কার্যালয় হচ্ছে লন্ডনে। কমনওয়েলথভূক্ত দেশ সমূহের অনুদানে চলে এ সংস্থাটি। এ কমিশন বাংলাদেশের এ দু’টি সমাধি ত্রে ছাড়াও ভারতের ১০টি, বার্মার ৩টি, পাকিস্তানের ২টি, থাইল্যান্ডের ২টি, সিঙ্গাপুরের ১টি, মালয়েশিয়ার ১টি, এবং জাপানের ১টি সমাধি ত্রেগুলোও রনাবেন করছে এবং কুমিল্লার ময়নামতি সমাধি ত্রেটিতে গ্রেভস কমিশনের নিয়োগকৃত ১জন কেয়ারটেকার ও ৫জন গার্ডেনার রনাবেনের কাজে নিয়োজিত আছে।
প্রতিদিনই সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২ টা এবং দুপুর ১টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ যুদ্ধ সমাধিস্থল সর্বসাধারনের জন্য উম্মুক্ত থাকে। এ সমাধি ত্রেটি দেখতে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজারো দর্শণ্যার্থী ভিড় জমায়।
লেখক পরিচিতি: একজন সংগঠক ও সংবাদকর্মী
কুমিল্লা কমনওয়েলথ সমাধির পাহাড়ের প্রথম ধাপে রয়েছে ইউরোপিয়ানদের কবর। উপরের সারিতে রয়েছে এ উপ-মহাদেশের যোদ্ধাদের কবর। সমাধি-গুলো সারিবদ্ধভাবে সাজানো রয়েছে। প্রত্যেকটি সমাধিতে লেখা আছে নিহত সৈনিকের নাম, বয়স, পদবী, নিহত হবার তারিখ ও ঠিকানা।
সমাধি ত্রে তৈরীর আগে সেখানে ছিল বৌদ্ধ বিহারের কেন্দ্রীয় মন্দির। সেখানে নির্মান করা হয়েছে শ্বেত পাথরের একটি ক্রশ। বর্গাকার এ সমাধি েেত্রর প্রত্যেকটির বাহুর দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াইশ ফুট। যাহার আয়তন সাড়ে ৪ একর। সমাধি েেত্রটি’র চারদিক বাউন্ডারী দিয়ে ঘেরা। পুরো সমাধি েেত্র হরেক রকম ও রং-বেরংয়ে ফুল গাছ এবং অন্যান্য গাছ দিয়ে পরিকল্পিত এবং সুবিন্যস্তভাবে সাজানো হয়েছে।
গাছ-গাছালির অপূর্ব নৈর্মগিক সৌন্দর্য্য ঘিরে রেখেছে এ সমাধি ত্রেটি। ফুলের সৌরভ, গাছের পাতায় বাতাস আর রোদের খেলা, পাখী ডাকে বিমোহিত পরিবেশের এ সমাধি ত্রেটি। সেখানে গেলে মনে অন্যরকম এক অনুভূতির জন্ম দেয়। তখন মনে হয় মানব জাতির জন্য যুদ্ধ কি খুব প্রয়োজনীয় ?
এ সমাধি েেত্র মোট সমাধি সংখ্যা ৭শ’ ৩৮টি। এখান থেকে ১৯৬২ সালে ১টি সমাধি নিহত সৈনিকের আত্মীয়-স্বজনরা যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। বর্তমানে এ সমাধি ত্রে সমাধি রয়েছে ৭শ’ ৩৭টি। এর মধ্যে ১৪জন শায়িত সৈনিকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এখানে যাদের সমাহিত করা হয়েছে তাদের লাশ আনা হয়েছে ঢাকা, ফরিদপুর, সৈয়দপুর ও সিরাজগঞ্জ থেকে। আর্মি গ্যারিসন ইঞ্জিনিয়ারগণ এ সমাধি ত্রেটি তৈরী করেন।
এ সমাধি েেত্র রয়েছে বৃটেনের ৩শ’৫০জন, কানাডার ১২জন, অস্ট্রেলিয়ার ১২জন, নিউজিল্যান্ডের ৪জন, দণি আফ্রিকার ১জন, ভারতের ১শ’ ৭২জন, পূর্ব আাফ্রিকার ৫৬জন, পশ্চিম আফ্রিকার ৮৬জন, বার্মার ১জন, দণি রোডেশিয়ার ৩জন, বেলজিয়ামের ১জন, পোলান্ডের ১জন এবং জাপানের ২৪জন যুদ্ধ বন্দীর কবর। এ ছাড়াও ১জন বে-সামরিক ব্যক্তিকেও এখানে সমাহিত করা হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে মৃত সৈন্যের লাশ এখানে এনে এ সমাধি েেত্র সমাহিত করা হয়। কুমিল্লার ময়নামতি সমাধি ত্রে এবং চট্টগ্রামের সমাধি ত্রে এ দু’টির সার্বিক তদারকি করছে কমনওয়েলথ গ্রেভস কমিশন। এর প্রধান কার্যালয় হচ্ছে লন্ডনে। কমনওয়েলথভূক্ত দেশ সমূহের অনুদানে চলে এ সংস্থাটি। এ কমিশন বাংলাদেশের এ দু’টি সমাধি ত্রে ছাড়াও ভারতের ১০টি, বার্মার ৩টি, পাকিস্তানের ২টি, থাইল্যান্ডের ২টি, সিঙ্গাপুরের ১টি, মালয়েশিয়ার ১টি, এবং জাপানের ১টি সমাধি ত্রেগুলোও রনাবেন করছে এবং কুমিল্লার ময়নামতি সমাধি ত্রেটিতে গ্রেভস কমিশনের নিয়োগকৃত ১জন কেয়ারটেকার ও ৫জন গার্ডেনার রনাবেনের কাজে নিয়োজিত আছে।
প্রতিদিনই সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২ টা এবং দুপুর ১টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ যুদ্ধ সমাধিস্থল সর্বসাধারনের জন্য উম্মুক্ত থাকে। এ সমাধি ত্রেটি দেখতে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজারো দর্শণ্যার্থী ভিড় জমায়।
লেখক পরিচিতি: একজন সংগঠক ও সংবাদকর্মী
এখনো ভালোবাসি তোমায়...
আজিম উল্যাহ হানিফ
প্রায় দুইমাস হতে চলেছে মায়ার কোন যোগাযোগ নাই। কল করা তো দূরে থাক। আমার ও অবশ্য কল দেয়া হয় না। অথচ একসময় ২/৪ মিনিট পেরোলেই ২/১টি মিসকল পেতামও আমি ও দিতাম। অথচ আজ দুইমাস ১টি কল ও দিই না,পাই ও না। তার মানে দেখতে দেখতে ষাটদিন পার হয়ে গেছে! মায়া একদিন কলেজের কমনরুমে ডেকে নিয়ে হাতে হাত রেখে চোখে চোখ রেখে বলেছিল আজিম তুমি আমাকে কখনো ভুলে যাবে না তো।জীবনে প্রথম কোন অষ্টাদশী মেয়ের স্পর্শ পেয়ে যেমন লজ্জা লাগছিল তেমনি তার স্পর্শ পেয়ে আমার সারা দেহে যৌবনের দোলা দিয়ে গেল। আমি তার হাতের ছোয়ায় একটু স্বপ্ন রাজ্যে হারিয়ে গেলাম। তার কথায় আমার খেয়াল ভাঙ্গল। সে আরো বলে যাচ্ছে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গেলে আমি বাচবোঁ না। আমি আমার চিরচরিত নিয়ম বা অভ্যাস অনুযায়ী হাত নেড়ে ও চোখের ইশারায় জানান দিলাম যে আমি তোমারই আছি,থাকবো ইনশাল্লাহ। তারপর থেকে শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিনই কলেজে আসা হতো দুইজনের। মায়ার হাসি ও হাসিভরা মুখ আমাকে মুগ্ধ করতো। কলেজে এসেই একজন আরেকজন না দেখলে মুঠোফোনে হুংকার ছাড়া হতো তোমার কলেজে আসতে এত দেরি! কলেজে এসে দুইজনের আড্ডা,গল্প করা,দুষ্টুমি সহ কলেজ সময় গুলো পার হয়ে যেত। সেই সাথে দেশের পরিস্থিতি,রাজনীতি,সামাজিক ও পারিবারিক সহ বিভিন্ন নানান বিষয় ও আড্ডা থেকে বাদ যেতো না। সবই আলাপ ও আলোচনা হতো। মায়া প্রচুর পত্রিকা পড়তো। বৃহত্তর লাকসাম তথা কুমিল্লার স্থানীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিক ছাড়া জাতীয় পত্রিকা গুলো ও পড়তো। আর আমি ও টুকটাক লেখালেখি করতাম। যার ফলে সেই পত্রিকা গুলো আমার থেকেই নিতো। আমি মায়াকে উৎসর্গ করে বেশ কয়েকটি কবিতা লিখেছি। যার একটি স্থানীয় সাপ্তাহিক সময়ের দর্পণে প্রকাশ ও পেয়েছে। প্রকাশিত কবিতাটি খামে করে মায়াকে দিলে মায়া আমাকে সারারাত মুঠোফোনে আনন্দে কেদেঁছিল। আর বলেছিল তুমি আমাকে এত ভালবাস। দুইদিন কলেজ বন্ধ থাকায় এর পরদিন মায়া কলেজে এসে প্রথমে আমার কবিতা পড়ে পুরষ্কার স্বরূপ ৫০টাকা দিয়েছিল। আমি এগুলো দিয়ে লাকসাম পত্রিকা অফিসে গিয়েছি। আর বাকী টাকা দিয়ে একদিস্তা কাগজ কিনে খাতা বানিয়ে সেই খাতায় মায়াকে উৎসর্গ করে প্রায় অর্ধ শতাধিক কবিতা লিখেছি। কলেজ আড্ডা ছাড়া ও মুঠোফোনে মেতে উঠতাম আমরা দুইজন। সারাদিনেই মিসকল আর একজন না একজন কল করে খোজঁখবর নিতাম। একপর্যায়ে এসে এইচএসসি পাশ করে লাকসাম ফয়জুন্নেছা কলেজে ভর্তি হবো ভেবে লাকসামের একটি মেসে চলে আসলাম। ৬ মাস পর লাকসাম পড়বো না কিংবা ভর্তি হবো না জেনে কুমিল্লা চলে আসি। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে ভর্তি হয়েছি। তবু মায়ার সাথে কথা চলতো, সর্ম্পক ছিল অটুট। সে গ্রামের একটি ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হয়েছে। সারাদিন টিউশনি আর কলেজ,রাতে কিছুক্ষন লেখালেখি আর মায়ার সাথে মুঠোফোনে আড্ডায় কবিতা পাঠ করে শুনানো এই ছিল রুটিন মাফিক কাজ। ইবাদত বন্দেগী আর নামাজ তো অবশ্যই আছে। গত বছর রোযার মাসে সেহরীর সময় নিয়মিত সবার আগেই ঘুম থেকে জেগেই মায়া আমাকে জাগাতো। আমি তার কল পেয়ে নিজে জাগতাম,মেসের অন্যদের ও জাগাতাম। মায়ার পান্ডিত্য,বুদ্দি,মেধা,বিচক্ষনতা,আমাকে আনন্দ দিতো। আমি ওকে মুঠোফোনের মেসেজে ধন্যবাদস্বরূপ মেসেজ পাঠাতাম ও ভালোবাসি এই কথাটি বেশি বেশি মেসেজ করতাম। বিভিন্ন খোজখবর লেখালেখি,পড়াশুনা,সাংবাদিকতাসহ দেশের কোন খবরই বাদ যেতো না,যায় না।অবশেষে দেশের প্রেক্ষাপট পরিবেশ দ্রুত বদলাতে থাকে। সেই সাথে মায়াও। আমি ঘুমন্ত অবস্থায় জেলে গেলাম। বের হতে না হতেই জানতে পারলাম মায়া ঢাকা কলেজের জনৈক ছাত্রের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে নিয়েছে। আমি দ্রুত আত্মীয়দের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে মুঠোফোন ও সিম ক্রয় করে পুনরায় মায়ার নাম্বার সংগ্রহ করে কল দিলাম। চিরপরিচিত মায়া ও এমনভাবে কথা বলল-যেন সে আমাকে চিনেই না।আমি ও ঠান্ডা মাথায় তাকে বুঝাতে থাকি। কিন্তু কে কাকে বুঝবে? মায়াকে আমাকে বুঝ দেয় অন্যভাবে। আমি মায়ার পরিবর্তন দেখে হতাশ হয়ে পড়ি।তার কথা কিছুতেই মেনে নিতে পারি না। কি থেকে কি হয়ে গেল। আমার মাথায় যেন্ আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। আমি যোগে বিয়োগে মিলাতে পারি না। একি শুনছি মায়ার কথায়...। এই মায়া তো এসব কথা বলবে বিশ্বাস করতে পারছি না। মায়াকে মাত্র ২১ দিনে বদলে গেল! না আমার মাথায় কিচ্ছু ধরে না। আমার মনে পড়ে যায় ভাষাসৈনিক মুনীর চৌধূলী রচিত রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকে তিনি লিখেছিলেন মানুষ মরে গেলে পচে যায়,বেচে থাকলে বদলায়। নাকি সেই রকম কিছু মায়ার ও জীবনে ঘটেছে। না আমার কিচ্ছু ভালো লাগছে না। মায়া শুধু আমার...। মায়াকে কল দিচ্ছি কিন্তু মায়া আগের মত কল রিসিভ করে না। মিসকল তো দূরে থাক। কয়েকশত বার কল দেওয়ার পর কিছুক্ষন আগে রিসিভ করে মায়া হুংকার ছাড়লো আমাকে আর কখনো কল দিয়ে জ্বালাতন করবে না। আমি আরেকজনকে ভালোবাসি। এই বলে লাইন কেটে যায়। ততক্ষণে আমার দুচোখ বেয়ে কয়েকফোটা জল গড়িয়ে পড়লো বিছানায়। আমি একটু স্থির হয়ে ভাবতে থাকি যে মায়া এক নজর আমাকে না দেখলে পাগল হয়ে যেতো। সেই মায়া এখন কী বলে...। আমার কোন ফ্রি বন্ধু বান্ধব নেই যার কারনে এ ব্যাপারটি শেয়ার করতে পারিনি। ইচ্ছায় ও অনিচ্ছায় তারপর ও আরো কত শত বার মায়াকে কল দিয়েছি। মায়া বড়জোর ৬/৭ বার রিসিভ করেছে। তাও ৪ বার ফোনের কল ধরে কথা না বলে কেটে দিয়েছে। তাছাড়া আজকাল মায়াকে মুঠোফোন বন্ধ করে রাখে। তাতে আমার কিছু ক্সতি না হলেও কিন্তু আমি যে মায়াকে এক মূহূর্তের জন্য ও ভুলতে পারছি না। এখনো রাতে ঘুমাতে গেলে কিংবা বর্তমান কোন আড্ডায় যোগ দিলে তার কথা মনে পড়ে । শত রাগ অভিমান আর ঘৃণা করার পর ও মায়াকে বলতে ইচ্ছে করে মায়া আমি এখনো তোমাকে ভালোবাসি।
আজিম উল্যাহ হানিফ
ডিগ্রি ১ম বর্ষ,কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ।
মোবাইল-০১৮৩৪৩৮৯৮৭১/০১৬২০-৬২৪৫১৭
২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে নিখোঁজ মালয়েশীয় বিমানের অনুসন্ধান শুরু করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
শনিবার সকালের দিকে নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ নিখোঁজ বিমানের সন্ধানে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে বঙ্গোপসাগরে যায়। একই সময়ে দুটি পেট্রোল এয়ারক্র্যাফটও উড়ে যায় আকাশে। এয়ারক্র্যাফট দুটি আকাশ থেকে ভূমিতে ও বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় অনুসন্ধান কাজ শুরু করেছে। চট্টগ্রাম নৌঘাঁটির কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাইজিংবিডিকে জানান, বিএনএস ওমর ফারুক ও বিএনএস বঙ্গবন্ধু নিখোঁজ মালয়েশীয় বিমানের খোঁজে সাগরে মোতায়েন করা হয়েছে। অবিরতভাবে যুদ্ধজাহাজ দুটি বঙ্গোপসাগরে অনুসন্ধান কাজ চালাচ্ছে। এদিকে দুপুরের দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়লে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয় বাংলাদেশি জলসীমায় কোনো বিমানের ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার খবর সঠিক নয়। এটি গুজব। গুজবে কান না দেওয়ার জন্য নৌবাহিনী দেশের জনগণের প্রতি অনুরোধ করেন। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম নৌঘাঁটির একজন কর্মকর্তা আরো জানান, নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ও দুটি এয়ারক্র্যাফট সাগর ও আকাশপথে সকাল থেকে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছে। তবে রোববার বিকেল ৩ টা পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের কোনো এলাকায় নিখোঁজ বিমানের সন্ধান মেলেনি। নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা আরো জানান, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় দুটি যুদ্ধজাহাজ ও দুটি এয়ারক্র্যাফট নিখোঁজ বিমানের অনুসন্ধান অব্যাহত রাখবে যতোক্ষণ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ থাকবে।
উল্লেখ্য, মালয়েশীয় এয়ারলাইনসের বোয়িং-৭৭৭ বিমানটি গত ৭ মার্চ ১৪টি দেশের ২৩৯ জন যাত্রী নিয়ে কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়। বিশ্বব্যাপী বিমানটির অনুসন্ধান শুরু হলেও গত ৮ দিনেও এর কোনো খোঁজ মেলেনি।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা কুমিল্লা জেলার বাছাই পর্ব জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে ১৪ই মার্চ শুক্রবার সকাল ৯ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয়।
সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা জেলা সভাপতি গোলাম মোস্তফা শরীফ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্য বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর এ.কে.এম আছাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি জেলা কালচারাল অফিসার বশিরুল আনোয়ার, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আনোয়ার হোসেন, ক্রীড়া সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বদরুল হুদা জেনু, আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম রতন, মহানগর বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার পৃষ্ঠপোষক মন্ডলীর সদস্য কাজী নাহিদুল হক নাহিদ। আরো উপস্থিত ছিলেন- বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার জেলা সাধারণ সম্পাদক শিহাব আবেদীন মজুমদার, সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম শিপন, মহানগর বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার মাহতাব সোহেল, আলমগীর হোসেন, মাহমুদুল হাসান মিঠু, মোঃ রাসেল সহ জেলা ও মহানগর বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার নেতৃবৃন্দ। প্রধান অতিথি আলোচনা সভায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ইতিহাস বিকৃত না করে নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের নিকট তুলে ধরার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
কুষ্টিয়ায় লালন স্মরণোৎসব শনিবার থেকে। বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের গান, মেলা ও সাধুসঙ্গের মধ্য দিয়ে কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসব চলবে বুধবার পর্যন্ত। 
আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘লালন একাডেমি’ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। ভক্ত-অনুসারীরা আগে থেকেই জায়গা করে নিয়েছেন লালনের আখড়ায়। উৎসব ঘিরে ধুয়ে-মুছে সাজানো হয়েছে মাজার প্রাঙ্গণ। মরমি এ সঙ্গীত সাধকের বার্ষিক স্মরণোৎসব উপলক্ষে তার সাধন-ভজনের তীর্থস্থান ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়ি পরিণত হয়েছে উৎসবের পল্লিতে। দেশ-বিদেশ থেকে এসেছেন অগণিত লালনভক্ত, বাউল অনুসারী এবং সুধীজন। উৎসব শুরু হবে শনিবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে। চলবে ১৯ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে স্মরণোৎসবে থাকবে লালনের স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা, লালন সঙ্গীতানুষ্ঠান এবং গ্রামীণ মেলা। কুষ্টিয়া শহরের কোল ঘেষে কুমারখালী উপজেলার কালীগঙ্গা নদী। এর তীরেই ছেঁউড়িয়ার লালন সমাধি। গবেষকদের মতে, বাউল সাধক ফকির লালন শাহের জীবদ্দশায় দোলপূর্ণিমা উপলক্ষে ছেঁউড়িয়ায় পালন করা হতো দোল উৎসব। আর দোলপূর্ণিমা ঘিরেই বসত সাধুসঙ্গ। লালনের সেই স্মৃতি ধরে রাখতে লালন একাডেমিও প্রতিবছর এ উৎসবকে ‘লালন স্মরণোৎসব’ হিসাবে পালন করে আসছে। তবে লালন অনুসারীরা দিনটি ‘দোলপূর্ণিমা’ উৎসব হিসেবেই পালন করে থাকেন। শনিবার সন্ধ্যায় লালন স্মরণোৎসবের উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব-উল আলম হানিফ। লালন একাডেমির সভাপতি ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন সভাপতিত্ব করবেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। বিশেষ থাকবেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী ও লালন একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাইজাল আলী খান। লালন একাডেমির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন জানান, উৎসব সফল করতে কুষ্টিয়ার প্রশাসন ও আইনশৃঙখলা রক্ষাকারী সংস্থার পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন গবেষণাপত্র থেকে জানা যায়, বাংলা ১১৭৯ সালের পয়লা কার্তিক, ইংরেজ ১৭৭২ খৃষ্টাব্দের অক্টোবরে যশোর জেলার ঝিনাইদহ (বর্তমান জেলা) মহকুমার হরিণাকুন্ডু থানার কুলবেড়ে হরিষপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সুরসাধক লালন শাহ। তিনি বাংলা ১২৯৭ সালের পয়লা কার্তিক, ইংরেজী ১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর ১১৬ বছর বয়সে মৃত্যুমুখে পতিত হন। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় তার আখড়া ছিল। এখানেই তার মাজার। তবে লালনের জন্ম তারিখ ও জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। লালনের একতারার সুর আজও বিশ্ববরেণ্য, আন্তজার্তিক লোকসাহিত্যের আসরে আলোচনার বিষয়বস্তু। লালন মাটির কবি মানুষের কবি, তাই মাটির মানুষের কণ্ঠে কণ্ঠে তার গান আজও ভেসে বেড়ায়।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘লালন একাডেমি’ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। ভক্ত-অনুসারীরা আগে থেকেই জায়গা করে নিয়েছেন লালনের আখড়ায়। উৎসব ঘিরে ধুয়ে-মুছে সাজানো হয়েছে মাজার প্রাঙ্গণ। মরমি এ সঙ্গীত সাধকের বার্ষিক স্মরণোৎসব উপলক্ষে তার সাধন-ভজনের তীর্থস্থান ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়ি পরিণত হয়েছে উৎসবের পল্লিতে। দেশ-বিদেশ থেকে এসেছেন অগণিত লালনভক্ত, বাউল অনুসারী এবং সুধীজন। উৎসব শুরু হবে শনিবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে। চলবে ১৯ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে স্মরণোৎসবে থাকবে লালনের স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা, লালন সঙ্গীতানুষ্ঠান এবং গ্রামীণ মেলা। কুষ্টিয়া শহরের কোল ঘেষে কুমারখালী উপজেলার কালীগঙ্গা নদী। এর তীরেই ছেঁউড়িয়ার লালন সমাধি। গবেষকদের মতে, বাউল সাধক ফকির লালন শাহের জীবদ্দশায় দোলপূর্ণিমা উপলক্ষে ছেঁউড়িয়ায় পালন করা হতো দোল উৎসব। আর দোলপূর্ণিমা ঘিরেই বসত সাধুসঙ্গ। লালনের সেই স্মৃতি ধরে রাখতে লালন একাডেমিও প্রতিবছর এ উৎসবকে ‘লালন স্মরণোৎসব’ হিসাবে পালন করে আসছে। তবে লালন অনুসারীরা দিনটি ‘দোলপূর্ণিমা’ উৎসব হিসেবেই পালন করে থাকেন। শনিবার সন্ধ্যায় লালন স্মরণোৎসবের উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব-উল আলম হানিফ। লালন একাডেমির সভাপতি ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন সভাপতিত্ব করবেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। বিশেষ থাকবেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী ও লালন একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাইজাল আলী খান। লালন একাডেমির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন জানান, উৎসব সফল করতে কুষ্টিয়ার প্রশাসন ও আইনশৃঙখলা রক্ষাকারী সংস্থার পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন গবেষণাপত্র থেকে জানা যায়, বাংলা ১১৭৯ সালের পয়লা কার্তিক, ইংরেজ ১৭৭২ খৃষ্টাব্দের অক্টোবরে যশোর জেলার ঝিনাইদহ (বর্তমান জেলা) মহকুমার হরিণাকুন্ডু থানার কুলবেড়ে হরিষপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সুরসাধক লালন শাহ। তিনি বাংলা ১২৯৭ সালের পয়লা কার্তিক, ইংরেজী ১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর ১১৬ বছর বয়সে মৃত্যুমুখে পতিত হন। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় তার আখড়া ছিল। এখানেই তার মাজার। তবে লালনের জন্ম তারিখ ও জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। লালনের একতারার সুর আজও বিশ্ববরেণ্য, আন্তজার্তিক লোকসাহিত্যের আসরে আলোচনার বিষয়বস্তু। লালন মাটির কবি মানুষের কবি, তাই মাটির মানুষের কণ্ঠে কণ্ঠে তার গান আজও ভেসে বেড়ায়।
আর.কে. নিরব :
যে শিশুটি জানত না তার পরিচয়, যে শিশুটির নেই কোনো সুনির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ, যে শিশুটি জানত না আগামী দিন কোথায় গেলে দু-মুঠো খাবার জুটবে? সেই সব পথহারা পথশিশুদের পাশে দাড়িয়েছে কয়েকজন ছাত্রের নিজস্ব অর্থায়নে গড়া সংগঠন “অবকাশ ওয়েফার ফাউন্ডেশন”। এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এ.আর. মোহাম্মদ মানিকের উদ্যোগে ২০১১ সালের ৯ই ডিসেম্বর মাত্র তিনজন পথশিশুকে শিা দানের মাধ্যমে ধর্মসাগর পাড়ে অবস্থিত অবকাশে প্রতিষ্ঠিত হয় অবকাশ ওয়েলফার ফাউন্ডেশন। তখন থেকেই নিঃস্বার্থভাবে এই পথশিশুদের শিার আলো ফিরিয়ে দিতে কাজ করে আসছে এই সংগঠনটি। আস্তে আস্তে তাদের কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত হয়ে আরোও অনেকেই তাদের সাথে কাজ করতে আগ্রহী হয় এবং কাজ করছে। বর্তমানে এই সংগঠনের সদস্য সংখ্যা মোট ৩১ জন । আর পথ শিার্থীর সংখ্যা মোট ৩৫ জন। এই ৩৫ জন পথশিশুর যাবতীয় শিার খরচ এই সংগঠনটি পরিচালিত করে আসছে। এই সংগঠনের বর্তমান সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ শোয়েব রাকিব। ওনার কাছে সংগঠনটি সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আমাদের জানান, আমরা সব সদস্যদের কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট মাসিক চাঁদার ভিত্তিতে আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে পরিকল্পিত ভাবে সংগঠনটি পরিচালনা করছি। বর্তমানে মোট ৩৫ জন পথশিশুকে স্কুলে ভর্তি করা সহ লেখাপড়ার সকল দায়িত্ব আমরা সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করছি। এই সংগঠনটি পরিচালনা করতে গিয়ে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কি না জানতে চাইলে তিনি আমাদের আরোও জানান, “আলহামদুলিল্লাহ! এখানে আমরা যারা সদস্য হিসাবে কাজ করছি তারা সবাই আমাকে সংগঠনটি পরিচালনার েেত্র যথেষ্ট সাহায্য করে। তাই সংগঠন পরিচালনা করতে আমাদের কোনো ধরনের সমস্যা হয় না”।
যে শিশুটি জানত না তার পরিচয়, যে শিশুটির নেই কোনো সুনির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ, যে শিশুটি জানত না আগামী দিন কোথায় গেলে দু-মুঠো খাবার জুটবে? সেই সব পথহারা পথশিশুদের পাশে দাড়িয়েছে কয়েকজন ছাত্রের নিজস্ব অর্থায়নে গড়া সংগঠন “অবকাশ ওয়েফার ফাউন্ডেশন”। এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এ.আর. মোহাম্মদ মানিকের উদ্যোগে ২০১১ সালের ৯ই ডিসেম্বর মাত্র তিনজন পথশিশুকে শিা দানের মাধ্যমে ধর্মসাগর পাড়ে অবস্থিত অবকাশে প্রতিষ্ঠিত হয় অবকাশ ওয়েলফার ফাউন্ডেশন। তখন থেকেই নিঃস্বার্থভাবে এই পথশিশুদের শিার আলো ফিরিয়ে দিতে কাজ করে আসছে এই সংগঠনটি। আস্তে আস্তে তাদের কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত হয়ে আরোও অনেকেই তাদের সাথে কাজ করতে আগ্রহী হয় এবং কাজ করছে। বর্তমানে এই সংগঠনের সদস্য সংখ্যা মোট ৩১ জন । আর পথ শিার্থীর সংখ্যা মোট ৩৫ জন। এই ৩৫ জন পথশিশুর যাবতীয় শিার খরচ এই সংগঠনটি পরিচালিত করে আসছে। এই সংগঠনের বর্তমান সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ শোয়েব রাকিব। ওনার কাছে সংগঠনটি সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আমাদের জানান, আমরা সব সদস্যদের কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট মাসিক চাঁদার ভিত্তিতে আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে পরিকল্পিত ভাবে সংগঠনটি পরিচালনা করছি। বর্তমানে মোট ৩৫ জন পথশিশুকে স্কুলে ভর্তি করা সহ লেখাপড়ার সকল দায়িত্ব আমরা সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করছি। এই সংগঠনটি পরিচালনা করতে গিয়ে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কি না জানতে চাইলে তিনি আমাদের আরোও জানান, “আলহামদুলিল্লাহ! এখানে আমরা যারা সদস্য হিসাবে কাজ করছি তারা সবাই আমাকে সংগঠনটি পরিচালনার েেত্র যথেষ্ট সাহায্য করে। তাই সংগঠন পরিচালনা করতে আমাদের কোনো ধরনের সমস্যা হয় না”।
সত্যিই তাদের এই প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। সংগঠনটি এই জাতির কাছে প্রশংসার দাবিদার। এই ভাবে সবাই যদি পথশিশুদের আলোকিত পথের দিশারী হত তাহলে আমাদের দেশ এত পিছিয়ে থাকত না। “পথ হারাতো না বাংলাদেশ”।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামের সিইউএফএল সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে কর্ণফুলী গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড।
বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে। চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে পেট্রোবাংলার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকাল থেকে এই কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় সিইউএফএল-এর সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। পেট্রোবাংলার জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রশিদুল ইসলাম জানান, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সর কারখানাগুলোর উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য বুধবার বিকেলে চট্টগ্রামের জহুর আহম্মেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আফগানিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ চলাকালে দুই দফা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দ্বিতীয় দফায় প্রায় ২০ মিনিট খেলা বন্ধ রাখা হয়। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন না থাকায় ঘাটতির কারণে স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরু হলে যাতে কোনভাবেই স্টেডিয়াম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কবলে না পড়ে সে ব্যাপারে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামসহ সারা দেশের সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে পেট্রোবাংলা নিশ্চিত করেছে।
চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে আজ থেকে ৮১টি উপজেলায় মাঠে
নামছে সেনাবাহিনী। নির্বাচনের ২ দিন আগে, নির্বাচনের দিন ও নির্বাচন
পরবর্তী ২ দিনসহ মোট ৫ দিন সেনা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট
উপজেলার নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যে কোন
ধরনের নাশকতা ঠেকাতে নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স
হিসেবে সেনা সদস্যরা মাঠে থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি উপজেলায় এক প্লাটুন করে সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।
প্রতি প্লাটুনে ৩৪ জন করে সেনা সদস্য থাকবে। এছাড়া এসব উপজেলায় বৃহস্পতিবার
মধ্য রাত (১২টার পর) থেকে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শেষ হবে। কেউ আইন
ভঙ্গ করলে তাৎক্ষণিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ৫০ হাজার
টাকা জরিমানা ও ৬ মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন। গামী ১৫
মার্চ শনিবার তৃতীয় ধাপে দেশের ৮১ উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হবে। তৃতীয় ধাপে
যে ৮১ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে সেগুলো হলো- ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর, দিনাজপুর
সদর ও নবাবগঞ্জ, নীলফামারী সদর, লালমনিরহাটের আদিতমারী, কুড়িগ্রাম সদর,
রৌমারী ও চিলমারী, গাইবান্ধা সদর ও সাদুল্লাপুর, জয়পুর হাটের আক্কেলপুর,
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, ভোলাহাট ও শিবগঞ্জ, নওগাঁর মান্দা, পোরশা ও ধামইরহাট,
রাজশাহীর গোদাগাড়ি, চারঘাট ও দুর্গাপুর, চুয়াডাঙ্গার দামুরহুদা, যশোরের
মনিরামপুর, নড়াইলের লোহাগড়া, বাগেরহাট সদর, মোড়েলগঞ্জ, রামপাল, মোংলা ও
শরণখোলা, খুলনার পাইকগাছা, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ, ভোলা সদর, বরিশালের
মুলাদী, হিজলা ও বাবুগঞ্জ, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ,
শেরপুরের শ্রীবর্দী, ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া, গৌরীপুর, মুক্তাগাছা, ফুলপুর ও
ধোবাউড়া, নেত্রকোনা সদর ও মোহনগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ সদর, কুলিয়ারচর ও হোসেনপুর,
ফরিদপুর সদর, আলফাডাংগা ও সদরপুর, চরভদ্রাসন, ভাংগা ও মধুখালী, গোপালগঞ্জের
টুংগীপাড়া, শরীয়তপুর সদর ও নড়িয়া, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, সিলেটের দক্ষিণ
সুরমা, মৌলভীবাজারের বড়লেখা, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী ও দেলদুয়ার, কুমিল্লার
নাংগলকোট, হোমনা, বুড়িচং, চৌদ্দগ্রাম, ব্রাহ্মণপাড়া, তিতাস, চাঁদপুরের
কচুয়া ও হাজীগঞ্জ, নোয়াখালীর সেনবাগ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর, চট্টগ্রামের
চন্দনাইশ ও সীতাকুন্ড, রাঙ্গামাটির বরকল, বাঘাইছড়ি ও কাউখালি, মানিকগঞ্জের
ঘিওর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর, ফেনীর দাগনভূঁইয়া এবং বান্দরবান সদর ও আলী
কদম।
Zvcm P›`ª mi`vi, Kzwgjv †Rjv cÖwZwbwa|| wewRwe, †m±i m`i `ßi, Kzwgjvi
GKwU we‡kl Unj `j KZ©„K 13 gvP© e„n¯úwZevi cvjcvov †eoxeuva bvgK ¯’v‡b
†PvivPvjvb wb‡iva Awfhvb cwiPvjbv K‡i D‡jL‡hvM¨ cwigvY fviZxq kvox AvUK Ki‡Z
m¶g nq| AvUKK…Z kvoxi cÖvq 64 jvL UvKv| D³ gvjvgvj Kzwgjv Kvóg&m Awd‡m Rgv
Kiv n‡q‡Q|
অর্থপাচার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের তিন দিনের রিমান্ড চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক আহসান আলী ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে এ আবেদন করেন। এর আগে সকালে এ মামলায় খন্দকার মোশাররফকে দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদক উপ-পরিচালক আহসান আলী। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুপুর ২টার দিকে তাকে আদালতে আনা হয়। বুধবার রাতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সাবেক এ মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়।
Zvcm P›`ª miKvi, Kzwgjv †Rjv cÖwZwbwa|| Kzwgjvi Av`k© m`i Dc‡Rjvi
evicvovq Zz”Q NUbv‡K †K›`ª K‡i msL¨vjNy wn›`y m¤cÖ`v‡qi evox-Ni fvsPzi I nvgjv
K‡i‡Q mš¿vmxiv| MZ 11 gvP© g½jevi mKvj mv‡o 10Uvi mgq G NUbvwU msMwVZ n‡q‡Q| G
e¨vcv‡i GKB MÖv‡gi evicvov ivRgwb KwgDwbwU †m›Uvi msjMœ g„Z wmi“ Dwχbi †Q‡j
Avey wgqv (45), Avãyj Mdz‡ii †Q‡j wicb (25), Avey wgqvÕi †Q‡j †gv: †mwjg (25) I
†gv: ev”Pz wgqv (23), Ave`yj Mdz‡ii †Q‡j †gv: wkcy wgqv, Avãyjv‡ni †Q‡j †gv:
wcqvm (22), iwdK wgqvi †Q‡j Avwmd (18), kvn Rvjvj Gi †Q‡j †ZŠwn` (20), Ges
gnvbMixi byicyi c~e© cvovi †Lvi‡k` Avj‡gi †Q‡j wniv (22), gwZb wgqvi †Q‡j †gv:
Ry¤§b mn AÁvZbvgv 10/12Rb‡K Avmvgx K‡i †KvZvqvjx g‡Wj _vbvq GRvnvi `v‡qi K‡ib
evicvov wn›`y cvovÕi g„Z mZ¨iÄb `v‡mi †Q‡j iZb Kzgvi `vm (52)| Rvbv hvq- G
NUbvi GRvnvify³ Avmvgx †gv: wcqvm‡K IB iv‡Z †MÖdZvi K‡i‡Q †KvZqvjx _vbv cywjk|
G e¨vcv‡i MZ 11gvP© iv‡Z `ª“Z wePvi AvB‡b gvgjv `v‡qi Kiv n‡q‡Q e‡j wbwðZ K‡ib
Gm AvB †gv: mvgQyDwÏb †PŠayix| hvnvi gvgjv bs-33|
GRvnvi m~‡Î Rvbv hvq- MZ 11 gvP© g½jevi mKvj mv‡o
7Uvi w`‡K ev`xi KvKv‡Zv fvB AwRZ `vm Zv‡`i emZ evwoi NvUjvi cv‡k¦© _vKv R‰bK
giûg gvnZve Dwχbi cyKz‡ii `w¶‡Yi cv‡o `vovBqv `vZ eªvk Kivi mgq Avmvgx Avey
wgqv †Kvb K_v-evZ©v QvovB AwRZ‡K Mvjg›` K‡i gviai Kivi Rb¨ D`¨Ë nq| G e¨vcv‡i Avey‡K
wRÁvm Ki‡j †m w¶ß n‡q wicb, †mwjg, ev”Pz, wkcy, wcqvm, Avwmd, †ZŠwn`, nxiv I
Ry¤§b mn AÁvZbvgv 10/12Rb m‡½ wb‡q auviv‡jv A¯¿ m¯¿ wb‡q AbwaKvi fv‡e evox‡Z
cÖ‡ek K‡i Îv‡mi ivRZ¡ Kv‡qg K‡i Ges msL¨vjNy wn›`y m¤cÖ`v‡qi gv‡S AvZs‡Ki m„wó
K‡i| cieZx©‡Z iZb `vm I Zuvi fvB ibwRZ `vm, AwRZ `v‡mi N‡i cÖ‡ek K‡i my‡Km,
Avjgvwi, IqvWªc mn wewfbœ AvmevecÎ, `iRv-Rvbvjv I _vBMvm fvsPzi K‡i gvjvgvj I
4 fwi IR‡bi ¯^Y©vjsKvi, GKwU bwKqv K¨v‡giv I †gvevBj †mU mn bM` 35 nvRvi UvKv
wb‡q hvq mš¿vmxiv| NUbvi ci mš¿vmxiv GB e‡j ûgKx †`q †h, G e¨vcv‡i AvB‡bi Avkªq
wb‡j †Zv‡`i evox-Ni †c‡Uªvj w`‡q Av¸b jvMvBqv ‡cvovBqv w`‡ev| G NUbvi ci GjvKvq
AvZsK weivR Ki‡Q Ges wbivcËv nxbZvq †fvM‡Qb IB GjvKvi msL¨vjNy wn›`y m¤cÖ`v‡qi
†jvKRb| cwieviwUi wbivcËv weavb mn IB NUbvi mv‡_ RwoZ‡`i ‡MÖdZvi K‡i AvB‡bi
AvIZvq G‡b `„óvš—g~jK kvw¯—i `vex Rvbvb iZb `v‡mi e„×v gv wej¦evjv `vm|
Gw`‡K, G NUbvi msev` †c‡q NUbv¯’j cwi`k©b K‡ib- Kzwgjv AwZ:
cywjk mycvi Avjx Avkªvd f~uBqv, †KvZqvjx g‡Wj _vbvi Awdmvm© BbPvR© (Iwm)
gwnDwÏb gvngy`, evsjv‡`k wn›`y-‡eŠ×-wLªôvY HK¨ cwil` Kzwgjv †Rjv kvLvi mfvcwZ
P›`b Kzgvi ivq, mvaviY m¤úv`K Aa¨¶ Zvcm Kzgvi eKmx, mgvRKj¨vY m¤úv`K Zvcm P›`ª
miKvi, ‡Kvlva¨¶ Aa¨¶ myevm P›`ª miKvi, evsjv‡`k c~Rv D`&hvcb cwil` Kzwgjv
gnvbMi kvLvi mvaviY m¤úv`K D¾¡j †`, †`‡ki GKgvÎ bg:k~`ª m¤cÖ`v‡qi GKK msMVb
Abyfe eûg~Lx mgevq mwgwZ wj: Kzwgjv †Rjv kvLvi mfvcwZ †Mvcvj P›`ª †fŠwgK,
evsjv‡`k QvÎ-hye-HK¨ cwil` Kzwgjv †Rjv kvLvi mfvcwZ gaym~`b wek¦vm, ‰`wbK
GKz‡k msev‡`i Kzwgjv cÖwZwbwa Agj gRyg`vi mn wewfbœ msMV‡bi †bZ…e„›`|
G NUbvi Zxeª wb›`v
Ávcb mn Gi mv‡_ RwoZ‡`i †MÖdZKvi K‡i AvB‡bi AvIZvq G‡b `„óvš—g~jK kvw¯—i `vex
Rvbvb- evsjv‡`k wn›`y-‡eŠ×-wLªôvY HK¨ cwil` Kzwgjv †Rjv kvLv, evsjv‡`k c~Rv
D`&hvcb cwil` Kzwgjv gnvbMi kvLv I evsjv‡`k QvÎ-hye-HK¨ cwil` Kzwgjv †Rjv
kvLv Ges Abyfe eûg~Lx mgevq mwgwZ wj: Gi Kzwgjv †Rjv kvLvi ‡bZ…e„›`|কুমিল্লা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) কুমিল্লার উদ্যোগে আড়াইওরা (পঃ) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর ম্যানেজিং কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সনাক সহ-সভপতি আলী আকবর মাসুম এর পরিচালনায় এবং সনাক সদস্য ও শিক্ষা বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মমিনুল হক চৌধুরী সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ৩ নং দূর্গাপুর (উত্তর) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সনাক সভাপতি আলহাজ্ব শাহ মোঃ আলমগীর খান, সনাক সদস্য বদরুল হুদা জেনু, জমীর উদ্দিন খান জম্পি, প্রধান শিক্ষক হালিমা বেগম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অত্র ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ ফিরোজ আহাম্মদ, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোখলেছুর রহমান, মোঃ কামাল, ডাঃ খোকন কুমার নন্দীসহ স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ।
১৯৭১-এর সে দিন ছিল বুধবার। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ৭ মার্চে সূচিত পূর্ব ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্যায়ের তৃতীয় দিবস। সর্বাত্মক অসহযোগে কার্যত পুরো দেশ অচল হয়ে পড়েছিল।
এদিন রাজধানী ঢাকায় সকল সরকারি আধা-সরকারি বিভাগের কর্মচারী অফিসে যোগদানে বিরত থাকেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ অনুযায়ী বেসরকারি অফিস, ব্যবসা কেন্দ্র, স্টেট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক এবং সরকারি ট্রেজারিসহ বিভিন্ন ব্যাংক খোলা থাকে। স্বাধিকার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ঢাকা নগরীর সকল বাড়িঘর, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, বাসভবন এমনকি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বাসভবন এবং রাজারবাগ এলাকায় অবস্থিত পুলিশ বিভাগের অফিসগুলোর শীর্ষেও কালো পতাকা উত্তোলিত ছিল। নগরীর বিভিন্ন সড়কে সকল প্রকার যানবাহনের সম্মুখে শোকের স্মারক কালো পতাকা ছিল। পুরো ঢাকা নগরী যেন কালো পতাকার শহরে পরিণত হয়েছিল। এদিন নারায়ণগঞ্জের সাব জেলের ২২৩ জন কয়েদী পলায়নকালে পুলিশের গুলিতে ২ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়। বিগত ৩ ও ৪ মার্চে চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণে যারা আহত হয়েছিল আজ তাদের মধ্যে এক কিশোর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। সারাদেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে দেশবাসীকে ওয়াকিবহাল করার অভিপ্রায়ে বঙ্গবন্ধু এক বিবৃতি প্রদান করেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছাই আজ শেষ কথা। বাংলাদেশের জনগণের নামে আমরা যে নির্দেশ দিয়েছি সেক্রেটারিয়েটসহ সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস-আদালত, রেলওয়ে, স্থল এবং নৌবন্দরসমূহে তা পালিত হচ্ছে। যারা মনে করেছিলেন, শক্তির দাপটে আমাদের ওপর তাদের মত চাপিয়ে দেবেন বিশ্বের কাছে আজ তাদের চেহারা নগ্নভাবে ধরা পড়েছে। বিশ্ব জনমতের কাছে তারা বাংলার নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষের ওপর শক্তির নগ্ন প্রয়োগের যৌক্তিকতা প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছেন। এতদসত্ত্বেও বিবেকবর্জিত সেই গণবিরোধী শক্তি তাদের সশস্ত্র পথই অনুসরণ করে চলেছে। তাদের সমর সজ্জা সমানে অব্যাহত। এদিকে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান ও তাহরিখ-ই-ইশতিকলাল পার্টির প্রধান এয়ার মার্শাল (অব) আসগর খান এদিন করাচির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। এদিন তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তিনবার দেখা করেন এবং উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে একান্তে আলোচনা করেন। ঢাকা ত্যাগের প্রাক্কালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘শেখ মুজিবের ওপর কোনরূপ দোষ দেবার আমি কোন কারণ দেখি না। তিনি সঠিক এবং ন্যায্য ভূমিকা গ্রহণ করেছেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ ছাড়া তার পক্ষে অন্য কোন ভূমিকা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আমি তাঁর এ অবস্থানকে সমর্থন করি।’ বঙ্গবন্ধুর কর্মসূচির প্রতি আসগর খানের সমর্থনসূচক উক্তিতে পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও তাদের মনোভাব প্রকাশ করতে শুরু করেন। ন্যাপপ্রধান ওয়ালী খান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আগামী ১৩ মার্চ ঢাকা আসার ঘোষণা দেন। একই দলের নেতা মীর গাউশ বখস বেজেঞ্জো জাতীয় পরিষদ অধিবেশনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৪টি শর্ত মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি তাঁর বিবৃতিতে বলেন, ‘শেখ মুজিবের প্রস্তাবসমূহ শুধু পূর্ব পাকিস্তানেই নহে বরং সিন্ধু, সীমান্ত প্রদেশ, বেলুচিস্তান এবং পাঞ্জাবের জনগণের আশা-আকাঙ্খারও প্রতিফলন ঘটেছে। অপরদিকে কাউন্সিল মুসলিম লীগের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ খান দৌলতানা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘একতরফা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে, প্রেসিডেন্টকে তা শেখ মুজিবের সঙ্গে আলোচনা করে দূর করতে হবে। তাছাড়া সামরিক আইন প্রত্যাহার এবং জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের দ্রুত ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হবে।’ পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এদিন ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৪টি শর্ত মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান। অপরদিকে ঢাকায় ন্যাপ (ভাসানী), ন্যাপ (মোজাফফর) সহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবীদের সংগঠনসমূহ অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে মিছিল করে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে এসে মিলিত হতে থাকে। যেন এটাই বাঙালির ঠিকানা। এদিন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বঙ্গবন্ধু ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিটি কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেন এবং তাঁরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাত করে জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতার সিদ্ধান্তেই অফিস আদালত চালানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
এদিন রাজধানী ঢাকায় সকল সরকারি আধা-সরকারি বিভাগের কর্মচারী অফিসে যোগদানে বিরত থাকেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ অনুযায়ী বেসরকারি অফিস, ব্যবসা কেন্দ্র, স্টেট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক এবং সরকারি ট্রেজারিসহ বিভিন্ন ব্যাংক খোলা থাকে। স্বাধিকার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ঢাকা নগরীর সকল বাড়িঘর, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, বাসভবন এমনকি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বাসভবন এবং রাজারবাগ এলাকায় অবস্থিত পুলিশ বিভাগের অফিসগুলোর শীর্ষেও কালো পতাকা উত্তোলিত ছিল। নগরীর বিভিন্ন সড়কে সকল প্রকার যানবাহনের সম্মুখে শোকের স্মারক কালো পতাকা ছিল। পুরো ঢাকা নগরী যেন কালো পতাকার শহরে পরিণত হয়েছিল। এদিন নারায়ণগঞ্জের সাব জেলের ২২৩ জন কয়েদী পলায়নকালে পুলিশের গুলিতে ২ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়। বিগত ৩ ও ৪ মার্চে চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণে যারা আহত হয়েছিল আজ তাদের মধ্যে এক কিশোর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। সারাদেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে দেশবাসীকে ওয়াকিবহাল করার অভিপ্রায়ে বঙ্গবন্ধু এক বিবৃতি প্রদান করেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছাই আজ শেষ কথা। বাংলাদেশের জনগণের নামে আমরা যে নির্দেশ দিয়েছি সেক্রেটারিয়েটসহ সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস-আদালত, রেলওয়ে, স্থল এবং নৌবন্দরসমূহে তা পালিত হচ্ছে। যারা মনে করেছিলেন, শক্তির দাপটে আমাদের ওপর তাদের মত চাপিয়ে দেবেন বিশ্বের কাছে আজ তাদের চেহারা নগ্নভাবে ধরা পড়েছে। বিশ্ব জনমতের কাছে তারা বাংলার নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষের ওপর শক্তির নগ্ন প্রয়োগের যৌক্তিকতা প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছেন। এতদসত্ত্বেও বিবেকবর্জিত সেই গণবিরোধী শক্তি তাদের সশস্ত্র পথই অনুসরণ করে চলেছে। তাদের সমর সজ্জা সমানে অব্যাহত। এদিকে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান ও তাহরিখ-ই-ইশতিকলাল পার্টির প্রধান এয়ার মার্শাল (অব) আসগর খান এদিন করাচির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। এদিন তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তিনবার দেখা করেন এবং উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে একান্তে আলোচনা করেন। ঢাকা ত্যাগের প্রাক্কালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘শেখ মুজিবের ওপর কোনরূপ দোষ দেবার আমি কোন কারণ দেখি না। তিনি সঠিক এবং ন্যায্য ভূমিকা গ্রহণ করেছেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ ছাড়া তার পক্ষে অন্য কোন ভূমিকা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আমি তাঁর এ অবস্থানকে সমর্থন করি।’ বঙ্গবন্ধুর কর্মসূচির প্রতি আসগর খানের সমর্থনসূচক উক্তিতে পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও তাদের মনোভাব প্রকাশ করতে শুরু করেন। ন্যাপপ্রধান ওয়ালী খান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আগামী ১৩ মার্চ ঢাকা আসার ঘোষণা দেন। একই দলের নেতা মীর গাউশ বখস বেজেঞ্জো জাতীয় পরিষদ অধিবেশনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৪টি শর্ত মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি তাঁর বিবৃতিতে বলেন, ‘শেখ মুজিবের প্রস্তাবসমূহ শুধু পূর্ব পাকিস্তানেই নহে বরং সিন্ধু, সীমান্ত প্রদেশ, বেলুচিস্তান এবং পাঞ্জাবের জনগণের আশা-আকাঙ্খারও প্রতিফলন ঘটেছে। অপরদিকে কাউন্সিল মুসলিম লীগের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ খান দৌলতানা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘একতরফা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে, প্রেসিডেন্টকে তা শেখ মুজিবের সঙ্গে আলোচনা করে দূর করতে হবে। তাছাড়া সামরিক আইন প্রত্যাহার এবং জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের দ্রুত ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হবে।’ পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এদিন ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৪টি শর্ত মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান। অপরদিকে ঢাকায় ন্যাপ (ভাসানী), ন্যাপ (মোজাফফর) সহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবীদের সংগঠনসমূহ অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে মিছিল করে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে এসে মিলিত হতে থাকে। যেন এটাই বাঙালির ঠিকানা। এদিন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বঙ্গবন্ধু ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিটি কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেন এবং তাঁরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাত করে জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতার সিদ্ধান্তেই অফিস আদালত চালানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
---------------তাপস চন্দ্র সরকার---------------
ধর্মসাগরের ইতিহাস: সবুজ শ্যামলা বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য প্রাচীন নিদর্শন যা সরকারি প্রচারণার অভাবে মানুষের নিকট ঠিকমত পৌছায় না। এমনই একটি ইতিহাসের নাম কুমিল্লা ধর্মসাগর। কুমিল্লার ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে রয়েছে ধর্ম সাগরের প্রায় পৌনে ছয়শত বছরের ইতিহাস। প্রকৃতি আর মানুষের সমন্বয়ে গড়া এই সুদর্শন স্থানটি বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এই সৌন্দর্যপূর্ণ স্থানকে আরো সৌন্দর্য করে তুলতে তাঁর উত্তর পাশে যোগ করা হয়েছে নগর উদ্যান। কুমিল্লা মহানগরীতেই রাজা মাণিক্য বাহাদুরের অপূর্ব কীর্তি গাঁথা এই ধর্ম সাগর। ভ্রমণ বিলাসী আর প্রকৃতি পিপাসুদের নজর কেড়ে নেয়া এক অপূর্ব নিদর্শন। তিনদিকে সবুজ প্রান্তর ঘেরা মাঝখানে ধূসর বর্ণের অন্যদিকে কুমিল্লা ষ্টেডিয়াম। উত্তরদিকে রাণীর কুঠির, মেহগনি, দেবদারু, শাল আর নানা রঙ্গের পাতা বাহারের গাছের ফাঁকে ফাঁকে বর্ণালী পাখির কুঞ্জন ধর্মসাগরের সৌন্দর্যকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। যার মাঝখানে রয়েছে বিরাট জলরাশি এই দীঘিটি ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ত্রিপুরা রাজ্যের অধিপতি মহারাজা ধর্মমাণিক্য ১৪৫৮সালে এই দীঘিটি খনন করেন। “রাজমালা” গ্রন্থ অনুযায়ি ধর্মমাণিক্য সুদীর্ঘ ৩২বৎসর রাজত্ব করেন (১৪৩১-৬২ খ্রি:) কুমিল্লা শহর তাঁর আশে-পাশের অঞ্চল তাঁর রাজত্বের অধীন ছিলো। জনগনের পানীয় জলের সুবিধার জন্য খননকৃত এই দীঘিটি উৎসর্গ করেন রাজা মাণিক্য বাহাদুর। মহারাজা ধর্মমাণিক্য বাহাদুরের নামানুসারে দীঘিটির নাম রাখা হয় ধর্মসাগর। তৎকালীন সময়ে ধর্মসাগর নিয়ে ছড়িয়ে রয়েছে বহু উপাখ্যান ও উপকথা।
......................(রাজমালা দ্বিতীয় লহর ৩য় পৃষ্ঠা)।
তাম্রলিপির মর্ম: “চন্দ্র বংশোদ্ভব মহা মাণিক্যের সুধীপুত্র শশধর সদৃশ শ্রী শ্রী ধর্ম মাণিক্য ১৩৮০ মেষ সংক্রমনে (চৈত্র মাসের শেষ তারিখে) সোমবার শুক্ল এয়োদশী তিথিতে কৌতুকাদি তাষ্ট বিপ্রকে শষ্য-সমন্বিত ফল ও বৃক্ষাদি পূর্ণ উনত্রিশ দ্রোণ ভূমি দান করিলেন। আমার বংশ বিলুপ্ত হইলে যদি এই রাজ্য অন্যকোন ভূপতির হস্তগত হয়। তিনি এই বৃহ্মবৃত্তি লোপ না করিলে আমি তাহার দাসানুদাস হইব। ” ধর্মসাগরের আয়তন ২৩:১৮ একর ১৯৬৪সালে দীঘিটির পশ্চিম ও উত্তর পাড়টি তদানিন্তন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দ হাসান আহমেদ এর উদ্যোগে পাঁকা করা হয়। দীঘিটি বর্তমানে মৎস বিভাগের অধীনে। তবে দীঘির পশ্চিম উত্তর পাড় সংলগ্ন ৫একরের উদ্যানটি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের। শুধু কুমিল্লা নয় বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রাচীন কয়েকটি দীঘির মধ্যে কুমিল্লা ধর্মসাগর ঐতিহাসিক দীঘি। স্ফটিকতুল্য স্বচ্ছ ও নির্মল পানির জন্যে দীঘিটি অতুলনীয়। ধর্মসাগর শুধু ঐতিহাসিক দীঘি নয়, এটি প্রকৃতির শোভা ও সৌন্দের্যের লীলাভূমি। দীঘির উত্তরপাড়ে টিলার উপর রয়েছে রাণীর কুঠির ও ধর্মসাগরকে আরো সাজিয়ে তুলতে এর উত্তর পাশে তৈরী করা হয়েছে নগর উদ্যান (পার্ক)। ধর্মসাগরে দু’টি নৌকা রয়েছে যাতে করে ভ্রমণ বিলাসী মানুষরা নৌকা চড়ে আনন্দ উপভোগ করতে পারে। যেখানে শুধু কর্মময় জীবনে হাঁপিয়ে উঠা মানুষেরা প্রকৃতির খুব কাছা-কাছি থেকে একটু স্বস্থি পাওয়ার জন্য রোজই এখানে ছুটে আসেন। শরীর সচেতন ও স্বাস্থ্য সচেতন লোকজন সকালে ও সন্ধ্যায় ধর্মসাগরের পশ্চিমপাড় সংলগ্ন সড়কটিতে হেঁটে বেড়ান নির্মল বায়ূ সেবনের প্রত্যাশায়। এখানে এলে নাগরিক জীবনের যাবতীয় ক্লান্তি ও যন্ত্রণা মুর্হুতেই মুছে যায়। ঐতিহাসিক কুমিল্লা ধর্মসাগর দেখতে প্রতিদিন ছুটে আসেন স্কুল-কলেজে পড়–য়া শিক্ষার্থীরা। এখানে চাকুরি ও কাজের ফাঁকে অবসর সময় কাটাতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ছুটে আসেন সকল বয়সের মানুষ। এখানে বনভোজনের জন্য রয়েছে স্পট। যেমন, দেশী-বিদেশী পর্যটকদের নিকট প্রতিনিয়ত স্বর্ণালী আকর্ষণ তেমনি প্রমোদ বিহার আর নিভৃত অবকাশ যাপনের নিকেতন। এছাড়াও রয়েছে এখানে শিশুদের জন্য নগর উদ্যান (পার্ক)। প্রতিবছর ১৪ ফেব্র“য়ারি বিশ্বভালবাসা দিবস, বাংলা নববর্ষ, ঈদের দিনে মানুষের ঢল নামে সাগরের দু’পাড়ে। ঐদিন গুলোতে মানুষের উপস্থিতি মিলন মেলায় পরিণত হয় কুমিল্লা ধর্মসাগর এর দু’পাড়। তাছাড়াও শীত এলেই অতিথি পাখিরা কুমিল্লা ধর্মসাগরে বেড়াতে আসেন।
ধর্মসাগরের আশেপাশে পর্যটকদের জন্য একাধিক হোটেল-মোটেল আর রেষ্টুরেন্ট তৈরী করলে ঐতিহাসিক স্থানটি আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। যেখানে থাকবে প্রচুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উন্নত করতে হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা। তাহলে ঐতিহাসিক স্থানটির উত্তরোত্তর উন্নয়ন সাধন হবে এবং বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। উপার্জন হবে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। এমনকি লাভজনক ব্যবসায়ও পরিণত হতে পারে। স্বপরিবারে স্বপ্নের জগতে একটি দিন বেড়িয়ে যান ....................।
এই দীঘিটি উৎসর্গের সময় যে তাম্রলিপি প্রদত্ত হয় তা নিন্মরূপ:-
“ চন্দ্র বংশেতে মহামাণিক্য নৃপবর, তানপুত্র শ্রী ধর্মমাণিক্য শশধর।
তেরশ আশিশতকে সোমবার দিনে, শুক্লপক্ষ এয়োদশী মেষ সংক্রমনে।।
তাম্রপত্রে লিখি দিলাম এসব বচন, আমা বংশ মারি যে বা হয় রাজন।
তাহার দাসের দাস হইবেক আমি, আমা কীর্তি ব্রক্ষাবৃত্তি না লঙ্ঘিত তুমি।।”
“ চন্দ্র বংশেতে মহামাণিক্য নৃপবর, তানপুত্র শ্রী ধর্মমাণিক্য শশধর।
তেরশ আশিশতকে সোমবার দিনে, শুক্লপক্ষ এয়োদশী মেষ সংক্রমনে।।
তাম্রপত্রে লিখি দিলাম এসব বচন, আমা বংশ মারি যে বা হয় রাজন।
তাহার দাসের দাস হইবেক আমি, আমা কীর্তি ব্রক্ষাবৃত্তি না লঙ্ঘিত তুমি।।”
......................(রাজমালা দ্বিতীয় লহর ৩য় পৃষ্ঠা)।
তাম্রলিপির মর্ম: “চন্দ্র বংশোদ্ভব মহা মাণিক্যের সুধীপুত্র শশধর সদৃশ শ্রী শ্রী ধর্ম মাণিক্য ১৩৮০ মেষ সংক্রমনে (চৈত্র মাসের শেষ তারিখে) সোমবার শুক্ল এয়োদশী তিথিতে কৌতুকাদি তাষ্ট বিপ্রকে শষ্য-সমন্বিত ফল ও বৃক্ষাদি পূর্ণ উনত্রিশ দ্রোণ ভূমি দান করিলেন। আমার বংশ বিলুপ্ত হইলে যদি এই রাজ্য অন্যকোন ভূপতির হস্তগত হয়। তিনি এই বৃহ্মবৃত্তি লোপ না করিলে আমি তাহার দাসানুদাস হইব। ” ধর্মসাগরের আয়তন ২৩:১৮ একর ১৯৬৪সালে দীঘিটির পশ্চিম ও উত্তর পাড়টি তদানিন্তন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দ হাসান আহমেদ এর উদ্যোগে পাঁকা করা হয়। দীঘিটি বর্তমানে মৎস বিভাগের অধীনে। তবে দীঘির পশ্চিম উত্তর পাড় সংলগ্ন ৫একরের উদ্যানটি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের। শুধু কুমিল্লা নয় বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রাচীন কয়েকটি দীঘির মধ্যে কুমিল্লা ধর্মসাগর ঐতিহাসিক দীঘি। স্ফটিকতুল্য স্বচ্ছ ও নির্মল পানির জন্যে দীঘিটি অতুলনীয়। ধর্মসাগর শুধু ঐতিহাসিক দীঘি নয়, এটি প্রকৃতির শোভা ও সৌন্দের্যের লীলাভূমি। দীঘির উত্তরপাড়ে টিলার উপর রয়েছে রাণীর কুঠির ও ধর্মসাগরকে আরো সাজিয়ে তুলতে এর উত্তর পাশে তৈরী করা হয়েছে নগর উদ্যান (পার্ক)। ধর্মসাগরে দু’টি নৌকা রয়েছে যাতে করে ভ্রমণ বিলাসী মানুষরা নৌকা চড়ে আনন্দ উপভোগ করতে পারে। যেখানে শুধু কর্মময় জীবনে হাঁপিয়ে উঠা মানুষেরা প্রকৃতির খুব কাছা-কাছি থেকে একটু স্বস্থি পাওয়ার জন্য রোজই এখানে ছুটে আসেন। শরীর সচেতন ও স্বাস্থ্য সচেতন লোকজন সকালে ও সন্ধ্যায় ধর্মসাগরের পশ্চিমপাড় সংলগ্ন সড়কটিতে হেঁটে বেড়ান নির্মল বায়ূ সেবনের প্রত্যাশায়। এখানে এলে নাগরিক জীবনের যাবতীয় ক্লান্তি ও যন্ত্রণা মুর্হুতেই মুছে যায়। ঐতিহাসিক কুমিল্লা ধর্মসাগর দেখতে প্রতিদিন ছুটে আসেন স্কুল-কলেজে পড়–য়া শিক্ষার্থীরা। এখানে চাকুরি ও কাজের ফাঁকে অবসর সময় কাটাতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ছুটে আসেন সকল বয়সের মানুষ। এখানে বনভোজনের জন্য রয়েছে স্পট। যেমন, দেশী-বিদেশী পর্যটকদের নিকট প্রতিনিয়ত স্বর্ণালী আকর্ষণ তেমনি প্রমোদ বিহার আর নিভৃত অবকাশ যাপনের নিকেতন। এছাড়াও রয়েছে এখানে শিশুদের জন্য নগর উদ্যান (পার্ক)। প্রতিবছর ১৪ ফেব্র“য়ারি বিশ্বভালবাসা দিবস, বাংলা নববর্ষ, ঈদের দিনে মানুষের ঢল নামে সাগরের দু’পাড়ে। ঐদিন গুলোতে মানুষের উপস্থিতি মিলন মেলায় পরিণত হয় কুমিল্লা ধর্মসাগর এর দু’পাড়। তাছাড়াও শীত এলেই অতিথি পাখিরা কুমিল্লা ধর্মসাগরে বেড়াতে আসেন।
ধর্মসাগরের আশেপাশে পর্যটকদের জন্য একাধিক হোটেল-মোটেল আর রেষ্টুরেন্ট তৈরী করলে ঐতিহাসিক স্থানটি আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। যেখানে থাকবে প্রচুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উন্নত করতে হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা। তাহলে ঐতিহাসিক স্থানটির উত্তরোত্তর উন্নয়ন সাধন হবে এবং বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। উপার্জন হবে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। এমনকি লাভজনক ব্যবসায়ও পরিণত হতে পারে। স্বপরিবারে স্বপ্নের জগতে একটি দিন বেড়িয়ে যান ....................।
লেখক পরিচিতি: একজন সংগঠক ও সংবাদকর্মী
মোবাইল: ০১৭১৪-৩৭৩৬০৫
মোবাইল: ০১৭১৪-৩৭৩৬০৫
নারী অবহেলার নয়, স্নেহ-মমতা-ভালোবাসা আর প্রেরণার উৎস। পুরুষের যা কিছু সৃষ্টি আর মহিয়ান হওয়ার গৌরবগাথা রয়েছে, তার পেছনে রয়েছে নারীর ভূমিকা। এই নারীরাই পুরুষশাসিত সমাজে উপেক্ষিত। তাদের অধিকার আর সম্মান বুঝে নিতে দিতে হয়েছে রক্ত। হারাতে হয়েছে সম্ভ্রম। আর শিকার হতে হয়েছে নির্যাতনের। সেই অধিকার আদায়ের অদম্য আন্দোলনের স্বীকৃতি হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এই স্বীকৃতিই নারীকে সমাজের প্রতিটি স্তরে সমান অধিকার আর অংশীদার করে তুলেছে। আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নানা আয়োজনে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এই দিনটির শুরু ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ ।
ওই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি সুচ কারখানার নারী শ্রমিকেরা দৈনিক শ্রম ১২ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে আট ঘণ্টায় আনা, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন। তারা অধিকার আদায়ে আন্দোলন করেন। আন্দোলন করার অপরাধে গ্রেফতার হন বহু নারী। কারাগারে নির্যাতিত হন অনেকেই। তিন বছর পর ১৮৬০ সালের একই দিনে গঠন করা হয় ‘নারী শ্রমিক ইউনিয়ন’। ১৯০৮ সালে পোশাক ও বস্ত্রশিল্প কারখানার প্রায় দেড় হাজার নারী শ্রমিক একই দাবিতে আন্দোলন করেন। অবশেষে আদায় করে নেন দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করার অধিকার। ১৯১০ সালের এই দিনে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক সম্মেলনে জার্মানির নেত্রী ক্লারা জেৎকিন ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। এর পর থেকেই সারা বিশ্বে দিবসটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে আন্তর্জাতিক নারীবর্ষে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করা শুরু করে। এর দুই বছর পর ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। দিবসটি উপলক্ষে টেক্সটাইল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের নারীনেত্রী লাভলী ইয়াসমীন বলেছেন, প্রথমে এই অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করেছিল একটি সুচ কারখানার নারী শ্রমিকরা। পরে আন্দোলনকে বেগবান করেছে গার্মেন্টস শ্রমিকরা। তাদের আন্দোলনের কারণে নারীরা একটি নারী দিবস পেয়েছে। তবে বাংলাদেশের নারী শ্রমিকরা এখনো এই অধিকারের সুফল পুরোপুরি পান না। এখনো কর্মঘণ্টা নিয়ে নারী শ্রমিকরা শোষণের শিকার হচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, এসব নারী শ্রমিকের নৈতিক দাবিগুলোও পূরণ হয় না। আছে বঞ্চনা এবং কর্মপরিবেশের অভাব। তার পরও এই দিনটিকে ঘিরেই নারীরা তাদের অধিকার আদায়ের বীজ বুনেছিল। এখন সারা বিশ্বের নারীরা কিছুটা হলেও সুফল পায়। সারা বিশ্বে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে পুরুষের সমানতালে।
মঞ্চজননী খেতাব দেওয়া হচ্ছে নাট্যজন ফেরদৌসী মজুমদারকে। রোববার শিল্পকলা একাডেমীর স্টুডিও থিয়েটারে এক সম্মাননা অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা দেবে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল। ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৪’ উদ্যাপন উপলক্ষে স্বপ্নদল এই আয়োজন করছে। অনুষ্ঠানে স্বপ্নদলের নিয়মিত নাট্যকর্মীদের মায়েদেরও সম্মান জানানো হবে। অতিথি থাকবেন ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউট (আইটিআই) বিশ্বকেন্দ্রের সভাপতি নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার। আয়োজনের দ্বিতীয় পর্বে স্বপ্নদলের আলোচিত প্রযোজনা চিত্রাঙ্গদার বিশেষ মঞ্চায়ন হবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরায়ত সৃষ্টি চিত্রাঙ্গদার গবেষণাধর্মী নাট্যরীতিতে নির্দেশনা দিয়েছেন জাহিদ রিপন। এত যারা অভিনয় করেছেন তারা হলেন- সুকন্যা আমীর, ফারজানা রহমান মিতা, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান রেজাউল, শিশির সিকদার, সামাদ ভূঞা, মাধুরী বেপারী সুমি, এনামুল হক শাহীন, সাইফুন নেসা জেবু, রেজাউল মাওলা নাবলু, হিটলারম্যান রাজু, তানভীর শেখ, শারীফা রিমু, আলী হাসান, সাইদ মাহবুব, আব্দুর রহিম, উজ্জ্বল হোসেন প্রমুখ।
স্বপ্নদল ২০১২ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উদ্যাপন করে আসছে। প্রথম বছর নাট্যজন নূনা আফরোজ এবং দলের একজন কর্মীর মা এবং পরবর্তী বছরে নাট্যজন লাকী ইনাম ও দলের সব নারী নাট্যকর্মীকে আনুষ্ঠানিক সম্মাননা দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক নারী দিবস ৮ মার্চ হলেও হল-সংকটের কারণে এবার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে এক দিন পরে।
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড কাউন্টির ছোট্ট শহর বাউয়েন। ছোট এ শহরের বড় গর্ব একটা আম। আমটি নিয়ে বাউয়েন শহরের মানুষেরও গর্বের শেষ নেই। লোকে তাদের শহরকে চেনে আমের রাজধানী হিসেবে। ৩৩ ফুট লম্বা, সাত টন ওজনের বিশাল এই আমের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার লোকের অভাব হয় না। তবে দিনকয়েক আগে এক রাতে চুরি হয়ে গেল আমটি। শক্তিশালী যন্ত্রপাতি নিয়ে এসে গোড়া থেকে চোররা আম কেটে নিয়ে গেছে। তাতে বেজায় মন খারাপ লোকের। তবে আশা ছাড়তে নারাজ শহরের পর্যটনবিষয়ক চেয়ারম্যান পল মিকলকলিন, 'নাম কুড়ানোর আশায় অতিসাহসী কেউ আমটি কেটে নিয়ে গেছে। তবে কোনো না কোনো দিন বিশাল এই আমটি ফিরে পাব আমরা। এটি বহন করা দুঃসাধ্য, কারো না কারো চোখে পড়তে বাধ্য।' আম চুরিতে সবার মতো অবাক হয়ে গেছেন তিনিও, 'পত্রিকায় যখন পড়লাম আমটি নেই, সত্যি বলছি, ভেবেছি মজা করছে রিপোর্টার।' কুইন্সল্যান্ডের ছোট ছোট শহরগুলোতে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য নান্দনিক ১৫০টি স্থাপত্যকর্মের অন্যতম বিগ ম্যাঙ্গো। ২০০২ সাল থেকে এটি আছে এই শহরে। কুইন্সল্যান্ডের অন্যান্য বড় জিনিসের মধ্যে আছে- আনারস, কলা, আপেল, স্ট্রবেরি, মাছ, গলদা চিংড়ি, পেঙ্গুইন, ক্যাঙারু এমনকি ওয়াইনের বিরাট একটি কেস।
যদি কমিক বুকের কোনো চরিত্র
হতেন, তাহলে বিশাল এক হৃদযন্ত্র থাকত তাঁর। শিল্পী আঁকতেন চওড়া বুকের ছাতি।
লোকে তাঁকে 'স্টিলের হৃৎপিণ্ড' বলে ডাকে। নি ইয়ংবিং নাকের বাতাস দিয়েই
ফুলিয়ে ফেলেন কারের টায়ার! লোকটা তাগড়া-জোয়ানও নন, বয়স হয়ে গেছে তিন কুড়ি।
তার পরও হৃৎপিণ্ড এখনো দারুণ সবল। ৬৩ বছরের এই বুড়ো দক্ষিণপূর্ব
চীনের সুচিয়ানের চেংদুতে সম্প্রতি তাঁর কারিশমা দেখালেন। কারের চারটি টায়ার
ফুলিয়ে ফেললেন। শুধু তাই নয়, টায়ারগুলোর প্রতিটির ওপর আবার দাঁড়িয়ে ছিল
দুজন করে জোয়ান ছেলে।
ল্যাগব্যাগে টায়ারের সঙ্গে লাগিয়ে নিয়েছিলেন রাবারের নল। একেকটা নল ৪০ মিটার লম্বা। একটি নল ঢুকিয়েছেন ডান নাকের ভেতরে। লম্বা করে দম নিয়ে তারপর জোরে বাতাস ছেড়েছেন নলের ভেতরে। এ সময় এক হাতে চেপে রেখেছিলেন বাঁ নাক, যাতে শ্বাস ছাড়ার সময় বাতাস বাঁ নাক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে। এভাবে মাত্র ২০ মিনিটে নাকের বাতাসে টায়ার ফুলিয়েছেন ইয়ংবিং।
উদ্ভট এই আইডিয়াটি ইয়ংবিংয়ের মাথায় এসেছে অদ্ভুতভাবে। স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাচ্ছে বলে গিয়েছিলেন ডাক্তারের কাছে। পরিচিত ডাক্তার নানা পরীক্ষার পরে রোগীকে পরামর্শ দিলেন- 'আপনার হৃদযন্ত্রটি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত বেলুন ফোলান। তাহলে শক্তিশালী হবে হৃদযন্ত্র।'
কিছুদিন প্র্যাকটিস করলেন। তবে খুঁজে পেলেন না চ্যালেঞ্জ। বুদ্ধি করে নেমে গেলেন গাড়ির টায়ার ফোলাতে। বিদ্যাটি আরো লোককে দেখিয়ে তাক লাগিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন ইয়ংবিং। অংশ নিতে চান কোনো প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায়। তবে সিচুয়ান সোসাইটি অব অ্যাক্রোব্যাটসের এক কর্মকর্তা সেই ইচ্ছেয় বাদ সেধে বলেছেন- 'লির হৃৎপিণ্ডের জোরালো ক্ষমতায় আলাদা কোনো বিশেষত্ব নেই। এমন স্ট্যান্টবাজিতে অসাধারণ কিছু দেখি না।' ফের বললেন, 'সামান্য কিছু নিয়মনীতি মেনে চললে এমন করে টায়ার ফোলানো অসাধ্য নয়।'
ল্যাগব্যাগে টায়ারের সঙ্গে লাগিয়ে নিয়েছিলেন রাবারের নল। একেকটা নল ৪০ মিটার লম্বা। একটি নল ঢুকিয়েছেন ডান নাকের ভেতরে। লম্বা করে দম নিয়ে তারপর জোরে বাতাস ছেড়েছেন নলের ভেতরে। এ সময় এক হাতে চেপে রেখেছিলেন বাঁ নাক, যাতে শ্বাস ছাড়ার সময় বাতাস বাঁ নাক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে। এভাবে মাত্র ২০ মিনিটে নাকের বাতাসে টায়ার ফুলিয়েছেন ইয়ংবিং।
উদ্ভট এই আইডিয়াটি ইয়ংবিংয়ের মাথায় এসেছে অদ্ভুতভাবে। স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাচ্ছে বলে গিয়েছিলেন ডাক্তারের কাছে। পরিচিত ডাক্তার নানা পরীক্ষার পরে রোগীকে পরামর্শ দিলেন- 'আপনার হৃদযন্ত্রটি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত বেলুন ফোলান। তাহলে শক্তিশালী হবে হৃদযন্ত্র।'
কিছুদিন প্র্যাকটিস করলেন। তবে খুঁজে পেলেন না চ্যালেঞ্জ। বুদ্ধি করে নেমে গেলেন গাড়ির টায়ার ফোলাতে। বিদ্যাটি আরো লোককে দেখিয়ে তাক লাগিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন ইয়ংবিং। অংশ নিতে চান কোনো প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায়। তবে সিচুয়ান সোসাইটি অব অ্যাক্রোব্যাটসের এক কর্মকর্তা সেই ইচ্ছেয় বাদ সেধে বলেছেন- 'লির হৃৎপিণ্ডের জোরালো ক্ষমতায় আলাদা কোনো বিশেষত্ব নেই। এমন স্ট্যান্টবাজিতে অসাধারণ কিছু দেখি না।' ফের বললেন, 'সামান্য কিছু নিয়মনীতি মেনে চললে এমন করে টায়ার ফোলানো অসাধ্য নয়।'
সম্পাদক: শফিকুল আলম সেলিম।
বার্তা সম্পাদক: এ.আর.আকাশ।
কার্যালয়: বাদুরতলা, কুমিল্লা।
ই-মেইল: desherbarta24@gmail.com
পাঠক সংখ্যা
Channels
Label
Log In
Channels
Channels
Channels
Contributors
Followers
Arsip Blog
-
▼
2014
(193)
-
▼
March
(168)
- বুড়িচংয়ে রক্তস্বল্পতা ও অপুষ্টি নিয়ে সেমিনার
- আস সাঈদ শিল্পীগোষ্ঠীর আবৃত্তি প্রশিক হলেন আজিম উল্...
- বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে কুমিল্লার বাজগড্ডায়...
- দ্বি-বার্ষিক জাতীয় সম্মেলেনে যোগ দিতে আজ ঢাকায় যাচ...
- আহত সাংবাদিক রনবীর ঘোষ কিংকরকে ট্রমা সেন্টারে দেখত...
- ADC News
- মেধাবী ছাত্রী শারমিন কে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন
- শুভরাত্রি বলেছিলেন কো-পাইলট
- কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্টিতে চির নিদ্রায় শায়ি...
- মুরাদনগরে বঙ্গবন্ধুর ‘৯৪তম জন্মবার্ষিকীতে আওয়ামীলী...
- ভিক্টোরিয়া কলেজ বিএনসিসি সেনা শাখার বঙ্গবন্ধুর জন্...
- Railway Public School.
- MP News of Comilla
- কেন্দ্রীয় বিএমএ নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা বিএমএ নেতার ...
- জাতির জনকের জন্মদিনে হামদর্দের বিনামূল্যে স্বাস্থ্...
- জেনারেল হাসপাতালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন
- এখনো ভালোবাসি তোমায়...
- কুমিল্লার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ও সিভিল সার্জনের...
- উপজেলা নির্বাচন : বুড়িচং
- উপজেলা নির্বাচন : বুড়িচং
- উপজেলা নির্বাচন : বুড়িচং
- উপজেলা নির্বাচন : বুড়িচং
- জাহানারা ইমামের গল্প অবলম্বনে টেলিফিল্মে নাট্যরুপ
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সব খেলা মাছরাঙায়
- আয়রে আয় নতুন তরুণ দল চল মাঠের পানে চল
- বাংলাদেশের বড় জয়
- বিশ্বকাপে জয় দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ
- ৭২ রানে অলআউট আফগানিস্তান
- আন্তঃ কলেজ এ্যাথলেটিকস্’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমপি ব...
- নিখোঁজ বিমানের খোঁজে বাংলাদেশি যুদ্ধজাহাজ
- বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলে সাংস্কৃত...
- রাজাপাড়ায় শর্ট বাউন্ডারী ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের ফাই...
- ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরে নসিমনের ধাক্কায় এক নারীর ম...
- মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ করে পলায়নকালে শিবির নেতা আটক
- নিখোঁজ বিমানের খোঁজে ভারত মহাসাগরে তল্লাশি
- কুষ্টিয়ায় লালন স্মরণোৎসব শনিবার থেকে
- “পথ শিশুদের আলোর পথ দেখালো অবকাশ ওয়েলফার ফাউন্ডেশন”
- কিপিং গ্লাভস হাতে নিলেন মুশফিক
- লাকসামের কৃতিসন্তান এহছানের কৃতিত্ব
- সকল জল্পনা কল্পনা শেষ আজ কুমিল্লার ৬ উপজেলায় নির্বাচন
- বিএনপি গর্জনসর্বস্ব দল : যোগাযোগমন্ত্রী
- টি-টোয়েন্টিতে আলো দিতে সার কারখানা বন্ধ
- District Official News
- Health Minister
- চৌদ্দগ্রামে সন্ত্রাসীদের হামলায় উপজেলা বিএনপির সভা...
- বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন গ্রেফতার : গৌরীপুরে ব্যা...
- মুরাদনগর উপজেলা নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ
- কুমিল্লার বুড়িচংয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৩
- রেল মন্ত্রী মজিবুল হক মুজিব কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের ...
- আজ অনুভবের কেন্দ্রীয় সম্মেলন।। ঢাকায় যাচ্ছেন কুমিল...
- সুনামগঞ্জ প্রাইভেট কারের ধাক্কায় মা-মেয়েসহ নিহত- ৪
- আজ থেকে ৮১টি উপজেলায় মাঠে নামছে সেনাবাহিনী
- কুমিল্লায় ভারতীয় শাড়ী আটক করেছে বিজিবি
- তিন দিনের রিমান্ড চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন
- শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না
- সাভারে সেনাবাহিনীর ফায়ারিং প্রতিযোগিতার পুরস্কার ব...
- মহানগরীর র্শীষ সন্ত্রাসী রাজীব খাঁন গ্রেফতার
- রমজানের ১৫ দিন আগেই পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি
- কুমিল্লায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘুদের বা...
- সরকারিভাবে জনশক্তি নেবে মিশর
- ৩০ বছর পর ফাঁসির আসামির মুক্তি!
- টাকা লুটের ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত
- সাভারে বাস-ট্রাক ত্রিমুখি সংঘর্ষে আহত ৪০
- নিখোঁজ বিমানে ছিলেন ২০ ‘বিশেষজ্ঞ’
- লাকসামে চেয়ারম্যান হলেন ইউনুস
- শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচন স্থগিত
- কুমিল্লাস্থ চট্টগ্রাম সমিতির সাধারণ সভা ও ঐতিহ্যবা...
- সনাক কুমিল্লা সাথে আড়াইওরা (পঃ) সরকারী প্রাথমিক বি...
- দেবিদ্বারে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে...
- কুমিল্লার বিপুলাসার কালীবাড়ীতে গৌর নিতাই মন্দির প্...
- নগরীর শাসনগাছায় প্রেম সংক্রান্ত জের ধরে কিশোরীর আত...
- অনুভবের কেন্দ্রীয় সম্মেলন সফল করতে কুমিল্লা জেলা ক...
- কেন্দ্রীয় সম্মেলন সফল করতে কুমিল্লা জেলা পূজা কমি...
- DC News
- সিলেটে ২০-২১ মার্চ শিবিরের হরতাল
- একটি ভালো ইনিংসের অপেক্ষায় নাসির
- পোস্ট শিরোনামআক্রমণাত্মক ক্রিকেটকেই বেছে নিলেন সাকিব
- প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়
- রোনালদো প্রথম মেসি দ্বিতীয়
- হজে যেতে পারবেন ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৮ জন
- গাজীপুরে ট্রমা সেন্টার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
- স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে বলিরেখা
- দেশে প্রথম অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন
- ঢাকা হয়ে ওঠে কালো পতাকার শহর
- ভিসিটির ত্রিধারা নাট্যোৎসব ২০১৪ এর মূল্যায়ন সভা
- নগরীতে মোটর শোভা যাত্রা ও আনন্দ মিছিল
- চৌদ্দগ্রামে আওয়ামীলীগ অফিসে ছাত্রদল ক্যাডারদের হমল...
- কুমিল্লা আদালত অঙ্গনে এখন প্রচার- প্রচারণা তুঙ্গে
- কুমিল্লা ৬ উপজেলার ৭৮ প্রার্থী : সংঘাতময় হয়ে উঠছে ...
- প্রধানমন্ত্রীকে সরকারি প্রাথমিক শিক সমিতির অভিনন্দ...
- সেন্টমার্টিন ও ইনানী ঘুরে গেলেন রাষ্ট্রপতি
- কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়, শাস্তি হবেই : স্বরাষ্ট্রপ্র...
- খুলনায় দুর্বৃত্তদের হাতে কলেজছাত্র খুন
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পৌনে ৩ লাখ পদ শূন্য
- `আমার বাবার দাম ৪৫ হাজার টাকা’
- হযরত গাউছুল আজম আহম্মদ উল্লাহ আল মাইজভান্ডারী (কঃ)...
- জেলা স্বাস্থ্য বিভাগীয় মাসিক সমন্বয় সভা
- মেডিকেল কলেজে জেলা বিএমএ‘র বাংলা নববর্ষ উদযাপন পরি...
- ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের স্টল
- কুমিল্লায় ভারতীয় শাড়ী, মাদকদ্রব্য সহ অন্যান্য মালা...
- চাঞ্চল্যকর দেবিদ্বার প্রবাসীর স্ত্রী সাহিনা হত্যাক...
- বাহারাইনে অগ্নিদগ্ধ কুমিল্লার ৩ প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন
- কুমিল্লা সদর দেিন সাংবাদিক লাঞ্চিত
- নগরীর চকবাজারে টিনের চালা কেটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে...
- ধর্মমাণিক্য বাহাদুরের অমরকীর্তি গাঁথা কুমিল্লা ঐতি...
- কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সনাকের আলোচনা সভা
- খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ কর্মী নিহত
- নারী দিবসে মাগুরায় দুই নারীর আত্মহত্যা
- মুরাদনগরে উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন ৩ জন
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মখা আলমগীরকে অভ্যর্থনা ...
- কচুয়ায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর জিয়াউর রহমান হাতে...
- কচুয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাহান শিশিরের গনসংযোগ
- কচুয়ায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপির একক প্রার্থী শাহজালা...
- ঊষা’র বার্ষিক আনন্দ ভ্রমন অনুষ্ঠিত
- কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র্যালীর আ...
- আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে কুমিল্লায় মেলার আয়োজন
- কবি আবুল বাশার’র ৭৯ তম জন্মদিন পালিত
- মালিঙ্গার তৃতীয় শিকার হাফিজ
- ২৩৯ যাত্রীসহ মালয়েশীয় বিমান সাগরে বিধ্বস্ত
- City Corporation
- আমাদের বেশি খেলোয়াড় দরকার নেই
- চলন্ত ট্রেন থেকে টিটিইকে ফেলে দিল দুর্বৃত্তরা
- সম্মাননা পেলেন ৩ বিশিষ্ট নারী
- নারীর অধিকার আদায়ের দিন আজ
- আজ ফাইনাল
- শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত পুতিন
- তৃতীয় সন্তানের বাবা হলেন আফগান প্রেসিডেন্ট
- মমতা সমর্থন দেবেন জয়ললিতাকে
-
▼
March
(168)
Join the Club
To Cell
AD
AD
AD
Category 3
Powered by Blogger.














