খুলনায় দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হওয়া কলেজছাত্র মো. ইমদাদুল হক শিপনের
মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ রবিবার দুপুরে গণপূর্ত বিভাগের সরকারি
কোয়ার্টারের মামার বাসা থেকে তাঁর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে সোনাডাঙ্গা
থানা পুলিশ। নিহত শিপন খানজাহান আলী প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের
ছাত্র ও মাগুরা জেলা সদরের বুজরুক শ্রীকুন্তি গ্রামের মোক্তাদির হোসেনের
ছেলে।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, কলেজছাত্র ইমদাদুল হক শিপন নগরীর বয়রা নূরনগর এলাকায় গণপূর্ত বিভাগের সরকারি কোয়ার্টারে উপসহকারী প্রকৌশলী মামা আবু বক্করের বাসায় থেকে লেখাপড়া করতেন। সম্প্রতি খুলনা থেকে বাগেরহাটে বদলি হন তার মামা। গত বৃহস্পতিবার অফিস ছুটির পর আবু বক্করসহ পরিবারের অপর সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সময় শিপন একাই বাসায় ছিলেন। আজ রবিবার সকালে অফিস পিয়ন কাম পাম্প অপারেটর আল-আমিন বাসার নিচ তলায় শিপনের ঘরের দরজা খুলে ঘরের বিছানার ওপর শোয়ানো অবস্থায় তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি পুলিশকে জানালে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে শিপনের লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে সোনাডাঙ্গা থানার ওসি সাহাবুদ্দিন আজাদ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিভাবে হাত-পা বেঁধে কলেজছাত্র শিপনকে দু-এক দিন আগে হত্যা করা হয়েছে। তার বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিকেল পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের হয়নি। তবে পুলিশ নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করছে। ওসি আরো জানান, শিপন কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লিফটম্যান হিসেবে পার্টটাইম চাকরি করতেন
নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, কলেজছাত্র ইমদাদুল হক শিপন নগরীর বয়রা নূরনগর এলাকায় গণপূর্ত বিভাগের সরকারি কোয়ার্টারে উপসহকারী প্রকৌশলী মামা আবু বক্করের বাসায় থেকে লেখাপড়া করতেন। সম্প্রতি খুলনা থেকে বাগেরহাটে বদলি হন তার মামা। গত বৃহস্পতিবার অফিস ছুটির পর আবু বক্করসহ পরিবারের অপর সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যান। এ সময় শিপন একাই বাসায় ছিলেন। আজ রবিবার সকালে অফিস পিয়ন কাম পাম্প অপারেটর আল-আমিন বাসার নিচ তলায় শিপনের ঘরের দরজা খুলে ঘরের বিছানার ওপর শোয়ানো অবস্থায় তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি পুলিশকে জানালে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে শিপনের লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে সোনাডাঙ্গা থানার ওসি সাহাবুদ্দিন আজাদ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিভাবে হাত-পা বেঁধে কলেজছাত্র শিপনকে দু-এক দিন আগে হত্যা করা হয়েছে। তার বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিকেল পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের হয়নি। তবে পুলিশ নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করছে। ওসি আরো জানান, শিপন কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লিফটম্যান হিসেবে পার্টটাইম চাকরি করতেন


No comments for: "খুলনায় দুর্বৃত্তদের হাতে কলেজছাত্র খুন"
Leave a Reply