সৈয়দ রাজিব আহাম্মদ, প্রতিনিধি মুরাদনগর (কুমিল্লা):
দীর্ঘ ঘরোয়া বিবাদ, অভ্যন্তরিন কোন্দল মিটিয়ে আসন্ন ৩১ মার্চ পঞ্চম দফা উপজেলা নির্বাচনে মুরাদনগরে জয়ের ধারা ধরে রাখার প্রত্যয়ে মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ ঐক্যের কাছাকাছি চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। এ ল্েয বঙ্গবন্ধুর ‘৯৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় সোমবার মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীরা অতীতের সকল বিরোধ ভুলে ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি ও জাহাঙ্গীর আলম সরকারের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গিকার করেছেন। একই দলের দুই গ্রুপের মধ্যকার রাজনৈতিক ভিাজনের বিরোধ মিটিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলের জন্য ভালো ফলাফল করতেই জাতীয় ঐক্যের এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
মুরাদনগর উপজেলার কাজী নজরুল মিলনায়তনে সোমবার একজন আরেক জনকে ভূয়সী প্রসংসা করে বক্তব্য দিয়ে ওই বৈঠক শুরু হয়। মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হারুন আল রশিদের সভাপতিত্বে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পার্থ সারথির সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এম.পি। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, কারো ভালো না লাগলে আওয়ামী লীগ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। কিন্তু খোন্দকার মুস্তাক আহাম্মদের অনুসারী হয়ে আওয়ামীলীগকে পেছন থেকে ছুুরি চালাতে কখনো দেওয়া হবে না। এধরনের মন মানসিকতা নিয়ে কেউ আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করলে তাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলের ভিতরে বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী যেই হোক না কেন আগামীতে নিজেদের নিরাপত্তা ও সম্মানের কথা বিবেচনা করে এসব হীন মন মানসিকতা পরিহার করে আগামী নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ ভাবে দলীয় প্রার্থীকে যে কোন মূল্যে বিজয়ী করতে মাঠে কাজ করতে হবে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাক জাহাঙ্গীর আলম সরকার , অনান্যদেও মধ্যে ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ম রুহুল আমীন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি সৈয়দ আহম্মেদ হোসেন আউয়াল, কামাল উদ্দিন চেয়ারম্যান ,স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট সৈয়দ তানভীর আহাম্মেদ ফয়সাল , কাজী আবুল খায়ের চেয়ারম্যান ,সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ,জাকির হোসেন, যুবলীগ নেতা খায়রঊল আলম সাধন, মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সানোয়ারা বেগম লুনা, আওয়ামীলীগ নেতা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম খসরু ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
বৈঠক শেষে জাহাঙ্গীর আলম সরকার সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনা খোলামেলা ও ‘খুবই ইতিবাচক’ হয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করে আগামী দিনগুলোতে বাস্তবভিত্তিক পদপে নেওয়া হবে। মুরাদনগর উপজেলা নির্বাচন, অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ও মুরাদনগরের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইতিবাচক পরিবেশে খোলামনে আমরা এসব বিষয় আলোচনা করেছি।
দুই গ্রুপের বিভাজনের বিরোধ নিস্পত্তির দাবিতে হাজার হাজার আওয়ামী সমর্থক ও বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠন সম্প্রতি মুরাদনগরের বিভিন্ন এলাকায় সমাবেশ করেছে।
মুরাদনগর উপজেলার কাজী নজরুল মিলনায়তনে সোমবার একজন আরেক জনকে ভূয়সী প্রসংসা করে বক্তব্য দিয়ে ওই বৈঠক শুরু হয়। মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হারুন আল রশিদের সভাপতিত্বে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পার্থ সারথির সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এম.পি। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, কারো ভালো না লাগলে আওয়ামী লীগ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। কিন্তু খোন্দকার মুস্তাক আহাম্মদের অনুসারী হয়ে আওয়ামীলীগকে পেছন থেকে ছুুরি চালাতে কখনো দেওয়া হবে না। এধরনের মন মানসিকতা নিয়ে কেউ আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করলে তাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলের ভিতরে বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী যেই হোক না কেন আগামীতে নিজেদের নিরাপত্তা ও সম্মানের কথা বিবেচনা করে এসব হীন মন মানসিকতা পরিহার করে আগামী নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ ভাবে দলীয় প্রার্থীকে যে কোন মূল্যে বিজয়ী করতে মাঠে কাজ করতে হবে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাক জাহাঙ্গীর আলম সরকার , অনান্যদেও মধ্যে ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ম রুহুল আমীন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি সৈয়দ আহম্মেদ হোসেন আউয়াল, কামাল উদ্দিন চেয়ারম্যান ,স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট সৈয়দ তানভীর আহাম্মেদ ফয়সাল , কাজী আবুল খায়ের চেয়ারম্যান ,সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ,জাকির হোসেন, যুবলীগ নেতা খায়রঊল আলম সাধন, মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সানোয়ারা বেগম লুনা, আওয়ামীলীগ নেতা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম খসরু ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
বৈঠক শেষে জাহাঙ্গীর আলম সরকার সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনা খোলামেলা ও ‘খুবই ইতিবাচক’ হয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করে আগামী দিনগুলোতে বাস্তবভিত্তিক পদপে নেওয়া হবে। মুরাদনগর উপজেলা নির্বাচন, অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ও মুরাদনগরের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইতিবাচক পরিবেশে খোলামনে আমরা এসব বিষয় আলোচনা করেছি।
দুই গ্রুপের বিভাজনের বিরোধ নিস্পত্তির দাবিতে হাজার হাজার আওয়ামী সমর্থক ও বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠন সম্প্রতি মুরাদনগরের বিভিন্ন এলাকায় সমাবেশ করেছে।


No comments for: "মুরাদনগরে বঙ্গবন্ধুর ‘৯৪তম জন্মবার্ষিকীতে আওয়ামীলীগের ইতিবাচক বৈঠক উপজেলা নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করার অঙ্গিকার"
Leave a Reply