যদি কমিক বুকের কোনো চরিত্র
হতেন, তাহলে বিশাল এক হৃদযন্ত্র থাকত তাঁর। শিল্পী আঁকতেন চওড়া বুকের ছাতি।
লোকে তাঁকে 'স্টিলের হৃৎপিণ্ড' বলে ডাকে। নি ইয়ংবিং নাকের বাতাস দিয়েই
ফুলিয়ে ফেলেন কারের টায়ার! লোকটা তাগড়া-জোয়ানও নন, বয়স হয়ে গেছে তিন কুড়ি।
তার পরও হৃৎপিণ্ড এখনো দারুণ সবল। ৬৩ বছরের এই বুড়ো দক্ষিণপূর্ব
চীনের সুচিয়ানের চেংদুতে সম্প্রতি তাঁর কারিশমা দেখালেন। কারের চারটি টায়ার
ফুলিয়ে ফেললেন। শুধু তাই নয়, টায়ারগুলোর প্রতিটির ওপর আবার দাঁড়িয়ে ছিল
দুজন করে জোয়ান ছেলে।
ল্যাগব্যাগে টায়ারের সঙ্গে লাগিয়ে নিয়েছিলেন রাবারের নল। একেকটা নল ৪০ মিটার লম্বা। একটি নল ঢুকিয়েছেন ডান নাকের ভেতরে। লম্বা করে দম নিয়ে তারপর জোরে বাতাস ছেড়েছেন নলের ভেতরে। এ সময় এক হাতে চেপে রেখেছিলেন বাঁ নাক, যাতে শ্বাস ছাড়ার সময় বাতাস বাঁ নাক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে। এভাবে মাত্র ২০ মিনিটে নাকের বাতাসে টায়ার ফুলিয়েছেন ইয়ংবিং।
উদ্ভট এই আইডিয়াটি ইয়ংবিংয়ের মাথায় এসেছে অদ্ভুতভাবে। স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাচ্ছে বলে গিয়েছিলেন ডাক্তারের কাছে। পরিচিত ডাক্তার নানা পরীক্ষার পরে রোগীকে পরামর্শ দিলেন- 'আপনার হৃদযন্ত্রটি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত বেলুন ফোলান। তাহলে শক্তিশালী হবে হৃদযন্ত্র।'
কিছুদিন প্র্যাকটিস করলেন। তবে খুঁজে পেলেন না চ্যালেঞ্জ। বুদ্ধি করে নেমে গেলেন গাড়ির টায়ার ফোলাতে। বিদ্যাটি আরো লোককে দেখিয়ে তাক লাগিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন ইয়ংবিং। অংশ নিতে চান কোনো প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায়। তবে সিচুয়ান সোসাইটি অব অ্যাক্রোব্যাটসের এক কর্মকর্তা সেই ইচ্ছেয় বাদ সেধে বলেছেন- 'লির হৃৎপিণ্ডের জোরালো ক্ষমতায় আলাদা কোনো বিশেষত্ব নেই। এমন স্ট্যান্টবাজিতে অসাধারণ কিছু দেখি না।' ফের বললেন, 'সামান্য কিছু নিয়মনীতি মেনে চললে এমন করে টায়ার ফোলানো অসাধ্য নয়।'
ল্যাগব্যাগে টায়ারের সঙ্গে লাগিয়ে নিয়েছিলেন রাবারের নল। একেকটা নল ৪০ মিটার লম্বা। একটি নল ঢুকিয়েছেন ডান নাকের ভেতরে। লম্বা করে দম নিয়ে তারপর জোরে বাতাস ছেড়েছেন নলের ভেতরে। এ সময় এক হাতে চেপে রেখেছিলেন বাঁ নাক, যাতে শ্বাস ছাড়ার সময় বাতাস বাঁ নাক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে। এভাবে মাত্র ২০ মিনিটে নাকের বাতাসে টায়ার ফুলিয়েছেন ইয়ংবিং।
উদ্ভট এই আইডিয়াটি ইয়ংবিংয়ের মাথায় এসেছে অদ্ভুতভাবে। স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাচ্ছে বলে গিয়েছিলেন ডাক্তারের কাছে। পরিচিত ডাক্তার নানা পরীক্ষার পরে রোগীকে পরামর্শ দিলেন- 'আপনার হৃদযন্ত্রটি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত বেলুন ফোলান। তাহলে শক্তিশালী হবে হৃদযন্ত্র।'
কিছুদিন প্র্যাকটিস করলেন। তবে খুঁজে পেলেন না চ্যালেঞ্জ। বুদ্ধি করে নেমে গেলেন গাড়ির টায়ার ফোলাতে। বিদ্যাটি আরো লোককে দেখিয়ে তাক লাগিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন ইয়ংবিং। অংশ নিতে চান কোনো প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায়। তবে সিচুয়ান সোসাইটি অব অ্যাক্রোব্যাটসের এক কর্মকর্তা সেই ইচ্ছেয় বাদ সেধে বলেছেন- 'লির হৃৎপিণ্ডের জোরালো ক্ষমতায় আলাদা কোনো বিশেষত্ব নেই। এমন স্ট্যান্টবাজিতে অসাধারণ কিছু দেখি না।' ফের বললেন, 'সামান্য কিছু নিয়মনীতি মেনে চললে এমন করে টায়ার ফোলানো অসাধ্য নয়।'


No comments for: "নি ইয়ংবিং নাকের বাতাস দিয়েই ফুলিয়ে ফেলেন কারের টায়ার!"
Leave a Reply